ক্ষমতায় এলে বিচারপতি খায়রুল হকের বিচার করতে হবে: আলাল
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Tuesday, 5 November, 2019, 8:23 PM
ক্ষমতায় এলে বিচারপতি খায়রুল হকের বিচার করতে হবে: আলাল
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, যদি কোনোদিন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ আসে, বিএনপি যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের দ্বায়ে সর্বপ্রথম বিচার করতে হবে বিচারপতি খায়রুল হকের।
তিনি বলেন, তারপরে আরও অনেকের তালিকা আসবে যারা উন্নয়নের কথা বলে বলে চেতনার কথা বলে বলে অচেতন হয়ে যান। সেই উন্নয়নের নেতাদের একে একে বিচার করতে হবে।
মঙ্গলবার ৫ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তরিকুল ইসলাম স্মৃতি সংসদের আয়োজিত 'তরিকুল ইসলাম : জীবন ও সংগ্রাম' শীর্ষক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আলাল বলেন, আজকের এই দেশ অশান্ত। গতকাল গেছে সংবিধান দিবস। সেই সংবিধান দিবসকে স্মরণ করে আমি বলতে চাই, এই সংবিধানের জন্যই বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছিল। দেশ স্বাধীন করেছিল। সাদেক হোসেন খোকারা যুদ্ধ করেছিল। আজকে সেই সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করে করে যে অবস্থায় দাঁড়িয়েছে, এই তরিকুল ইসলামের স্মরণসভায় দাঁড়িয়ে আমি বলতে চাই, এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে। যদি কোনোদিন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ আসে বিএনপি যদি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়। সর্বপ্রথম বিচার করতে হবে বিচারপতি খায়রুল হকের। যে এদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে দিয়ে, তাকে যারা মাখন ঘি সরবরাহ করেছে, তাদের ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করে সাধারণ জনগণকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। সেই কারণে তার সর্বপ্রথম বিচার করতে হবে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিএনপির আমলে চালের দাম ছিল ২০ টাকা। আর বর্তমান সরকারের আমলে সর্বনিম্ন চালের দাম ৬০ টাকা। আজ দেশে সব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের এত উন্নয়ন হয়েছে তারপরও প্রধানমন্ত্রী মাঝেমাঝে বলেন, আমরা নাকি বলি দেশের কোথাও কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই উন্নয়নের নমুনা দেখালাম।
আলাল বলেন, একটা মানুষের অনুপস্থিতিতে তাকে নিয়ে যে ভালো-মন্দ কথা বলে সেটাই হচ্ছে একটা মানুষের সফলতা। সেই সফলতার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিলেন তরিকুল ইসলাম। তার জীবনের অনেক কিছুই আমরা জানি, তার জীবন থেকে যদি আমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে না পারি তাহলে তার প্রতি সম্মান জানানো হবে না।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, তরিকুল ইসলামের স্ত্রী যশোর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম প্রমুখ বক্তব্য দেন।