ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
হিমালয় সন্ন্যাসীদের অতিমানবীয় ক্ষমতায় বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 31 October, 2019, 6:30 PM

হিমালয় সন্ন্যাসীদের অতিমানবীয় ক্ষমতায় বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

হিমালয় সন্ন্যাসীদের অতিমানবীয় ক্ষমতায় বিস্মিত বিজ্ঞানীরা

হিমালয় পর্বতমালা তিব্বতীয় মালভূমি থেকে ভারতীয় উপমহাদেশকে পৃথক করেছে। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, চীন, নেপাল ও ভূটান; এশিয়ার এই ছয় দেশে বিস্তৃত হিমালয় পর্বতমালায় মাউন্ট এভারেস্ট, কেটু, কাঞ্চনজঙ্ঘা প্রভৃতি বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গগুলোর অবস্থান। আর এই হিমালয় সন্ন্যাসীদের এমন দুর্দান্ত মানব ক্ষমতা রয়েছে, যা হার্ভার্ড বিজ্ঞানীদেরও স্তম্ভিত করে। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, এই সন্ন্যাসীদের মস্তিষ্কে যা রয়েছে, তা মানব ক্ষমতারও বাইরে।

এছাড়াও, তারা নাকি খুব সহজেই নিজেদের মস্তিষ্কের পুনর্নির্মাণ করতে পারেন। বিজ্ঞানীরা গবেষনায় নামার পর ভীষণভাবেই অবাক সন্ন্যাসীদের এই অতিমানবীয় ক্ষমতা নিয়ে। কারণ তাদের মতে, হাজার হলেও এই সন্ন্যাসীরা সাধারণ মানুষ হিসেবেই এক সময় জন্ম নিয়েছিলেন।

১৯৮০ সালে উৎসাহ ও কৌতুহল বশে, হার্ভার্ড স্কুল অফ মেডিসিন থেকে হার্ভাট বেনসনের নেতৃত্বে বিজ্ঞানীদের একটি দল, হিমালয়ের ওই বৌদ্ধিক সন্ন্যাসীদের কাছে যান। তারা দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর, কিছু তথ্য়ে রীতিমত অবাক হয়ে যান। হিমালয়ের এই বরফ শীতল ঠান্ডার মধ্য়েও কীকরে, বৌদ্ধিক সন্ন্যাসীরা তাদের শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখেন। আর কী করেইবা তারা তাদের দেহের বিপাকের হারও ৬৪% কমিয়েও ফেলতে পারেন।

হিমালয় সন্ন্যাসীদের আরও একটা বিষয় অবাক করে দেয়, তারা তাদের পরণের জামাকাপড়, নিজেদের শরীরের তাপ দিয়েই শুকিয়ে নেন। যখন তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমে আসে তখন তারা পাহাড়ের কিনারায় রাত কাটান। এই পাথুরে খানাগুলির উচ্চতা প্রায় ১৫০০০ ফুট এবং সন্ন্যাসীদের কেবল উষ্ণ রাখতে তুলা বা পশমের শাল থাকে সঙ্গে। বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ করে জানতে পারেন, এই অতিমানবীয় ক্ষমতাগুলি সন্ন্যাসীরা কঠোর ধ্যান কৌশল, আধ্যাত্মিক অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জন করেছেন।

যাই হোক এই অভিজ্ঞতার পর, হার্ভাট বেনসন উন্নত ধ্যানের গুরুত্বের উপর খুব জোর দিয়েছিলেন। যেহেতু এই পদ্ধতি মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার চিকিৎসা করতে পারে। তাই মেডিটেশন এবং এই উন্নত ধ্যান কৌশলের মাধ্য়মে সাধারণ মানুষ একদিন নিজের চেষ্টায় ওষুধ ও সার্জারির হাত থেকে মুক্তি পাবে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status