ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের খাস কামরা!
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Wednesday, 30 October, 2019, 2:01 PM

বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের খাস কামরা!

বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের খাস কামরা!

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ডিএমএসসি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আহম্মেদ হোসেন রঞ্জুর খাস কামরায় তালা লাগিয়েছেন হাতীবান্ধার ইউএনও।

মঙ্গলবার দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামিউল আমিন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কন্দর্প নারায়ণ রায় ওই বিদ্যালয়ে হঠাৎ করে পরিদর্শনে গিয়ে বিদ্যালয় ভবনের একটি কক্ষে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ব্যক্তিগত খাস কামরা দেখতে পেয়ে তালা লাগিয়ে দেয়।

জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহম্মেদ হোসেন রঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় ভবনের একটি কক্ষে খাস কামরা তৈরি করে জুয়াসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে এমন একটি অভিযোগ উঠেছে। ওই খাস কামরায় প্রধান শিক্ষকের নিজস্ব লোক ছাড়া অন্য কোন শিক্ষক বা ছাত্র-ছাত্রীর প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয়টির কমিটি ও প্রধান শিক্ষক নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকার কারনে শিক্ষার পরিবেশও দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন বিষয় আমলে নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন ইউএনও সামিউল আমিন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও কারন দর্শানোর নোটিশের জবাব দেয়নি ওই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
 
মঙ্গলবার দুপুরে হাতীবান্ধার ইউএনও সামিউল আমিন ওই বিদ্যালয়ে হঠাৎ করে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনে বিদ্যালয় ভবনে তিনি দেখতে পায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আহম্মেদ হোসেন রঞ্জু একটি কক্ষকে খাস কামরা তৈরি করে খাট বসিয়েছেন। পাশাপাশি ওই কক্ষে জুয়া খেলাসহ নানা অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। ফলে ইউএনও সামিউল আমিন ওই খাস কামরায় তালা লাগিয়ে দেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আহম্মেদ হোসেন রঞ্জু বলেন, খাস কামরা নয়, রাতভর বিদ্যালয়ের কাজ করার কারনে বিদ্যালয়ের কক্ষে বিশ্রামের জন্য একটি খাট বসানো হয়েছে। জুয়াসহ বিভিন্ন অনৈতিক কার্যক্রমের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যখন মন ভাল থাকে না তখন কয়েকজন মিলে একটু দাবা খেলি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কন্দর্প নারায়ণ রায় জানান, ইউএনওসহ আমি ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের একটি খাস কামরার সন্ধান পাই। পরে ইউএনও ওই খাস কামরায় তালা লাগিয়ে দেয়। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হাতীবান্ধার ইউএনও সামিউল আমিন বলেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমি ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছি। ফলে আজ হঠাৎ করে পরিদর্শনে যাই। এ সময় একটি কক্ষে তালা লাগানো হয়ে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status