|
সংসদ উপনেতা হচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ?
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() সংসদ উপনেতা হচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ? এ ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নাম আলোচনায় আসছে। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ও রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে চেয়ারে বসতেন, সেটিতে সালাহউদ্দিন আহমদ বসার পর এই আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে অনেকে পোস্ট দিচ্ছেন। তবে বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা সরাসরি মুখ খুলতে রাজি হননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির এক সংসদ সদস্য বলেন, দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিগত দিনে সংসদে পারফরম্যান্সের কারণে প্রধানমন্ত্রীর গুডবুকে তার নাম এক নম্বরে আছে। কেন আলোচনায় সালাহউদ্দিন আহমদ বিএনপির দলীয় সূত্র জানায়, দলের হাইকমান্ড একে একে সব দায়িত্বপূর্ণ পদে শীর্ষ নেতাদের বসালেও কৌশলগত কারণে সংসদ উপনেতার পদটি এখনও পূরণ করেনি। ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভার পুনর্গঠনসহ সব জায়গা ঢেলে সাজানো হয়েছে। সংসদের ভেতরে থাকা মোটামুটি সব সিনিয়র নেতাকেই বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে বসানো হয়েছে। স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও চিফ হুইপসহ সব পদ পূরণ হয়েছে। শুধু বাকি রয়েছে সংসদ উপনেতার পদটি। তবে এ পদে কাকে বসানো হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। এর মধ্যে স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে এখনও কোনও পদ দেওয়া হয়নি। কারও কারও ধারণা, হয়তো তাকেও এখানে দেখা যেতে পারে। আবার বিগত দিনে সংসদে বিরোধী দলকে মোকাবিলায় সালাহউদ্দিন আহমদের ভূমিকায় ক্ষমতাসীন দলের অধিকাংশ সংসদ সদস্য খুশি। বিশেষ করে আইনগত বিষয়ে তার চুলচেরা বিশ্লেষণ ও বাগ্মিতার কারণে তাকে নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে দেখে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। তাই সংসদে তার পক্ষে অনেক ব্যাখ্যা সালাহউদ্দিন আহমদকেই দিতে হয়। আগামীতে হয়তো সংসদ উপনেতার পদে তাকেই দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করছেন নেতারা। দলীয় নেতারা কী বলছেন বিগত দিনে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পাশের চেয়ারে বসতেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির এমপিরা মনে করেন, তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই সংসদে তার চেয়ার শূন্য হতে পারে। এতে বিগত নতুন আসনবিন্যাসকে সরাসরি উপনেতা হওয়ার সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে সংসদে সিনিয়র আরও কয়েকজন নেতাকে এই জায়গায় না বসিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদকে বসানোর বিষয়টিকে রাজনৈতিক তাৎপর্যবহ বলে মনে করেন অনেকে। কারণ, যেহেতু এই পদটি এখনও শূন্য, তাই হয়তো সেখানে সালাহউদ্দিন আহমদকেই দেখা যেতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান বলেন, ‘আসলে বিষয়টি নিয়ে একেকজন একেকভাবে মূল্যায়ন করছেন। কিন্তু আমাদের কাছে এ ব্যাপারে কোনও তথ্য নেই। প্রধানমন্ত্রী ও দলের সংসদীয় বোর্ড নিশ্চয়ই বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’ এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে তিনি রাজি হননি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল পিস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এ সম্মানিত ইয়াশা সোবহান
সাতক্ষীরা মহিলা অধিদপ্তরের আয়োজনে আন্তঃ ধর্মীয় সম্প্রীতি সমাবেশ ২০২৬ অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল, ব্যানারে শেখের বেটি আইতাছে স্লোগান
যে মাটিতে প্রাণ দিয়েছিলেন আব্দুল জব্বার, ৫৫ বছর পর সেখানে প্রথম শ্রদ্ধাঞ্জলি
