|
নরসিংদীতে ট্রেনের ছাদ থেকে নামতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
মোঃ মনসুর আলী শিকদার, নরসিংদী
|
![]() নরসিংদীতে ট্রেনের ছাদ থেকে নামতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু রেলওয়ে পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে দুই বন্ধুর সঙ্গে আমীর হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় কেল্লা শাহের মাজারে গিয়েছিলেন। তারা রাতভর সেখানে থেকে শুক্রবার সকালে তিতাস কমিউটারের ছাদে উঠে নরসিংদী ফিরছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ট্রেনটি নরসিংদী রেলস্টেশনে পৌছে। এ সময় প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যেই ছাদে উঠা লোকজন স্টেশনে নামতে ছিল। এসময় ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কোথাও টান লেগে আমীরের লুঙ্গি খুলে যায়। আমীর নিয়ন্ত্রণ হারান এবং ট্রেনের দুই বগির মাঝখানে পড়ে যান। এ সময় ট্রেনটি তাকে অন্তত ৩০ গজ দূরে টেনে নিয়ে যায়। রেলস্টেশনে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল নেওয়া হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আমীর হোসেনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নরসিংদী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরিদা গুলশানারা কবির জানান, ট্রেনে কাটা পড়া ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার লাশ রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমীরের ঠিক আগে ট্রেনের ছাদ থেকে নেমেছেন তার বন্ধু আক্রাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘একসঙ্গেই আমরা তিন বন্ধু কেল্লা শাহর মাজারে গিয়েছিলাম। ভোরে ট্রেনে উঠার সময় প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে ভেতরে যেতে না পেয়ে ট্রেনের ছাদে উঠি। নরসিংদী আসার পর দুজন ছাদ থেকে নামতে পারলেও আমীর পারেনি। চলতে শুরু করা ট্রেনের দুই বগির মাঝে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে। চোখের সামনেই তার মৃত্যু দেখলাম। নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক দিলীপ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘তিতাস কমিউটারের ছাদ থেকে দুই বগির মাঝখানে চাপা পড়ে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
