|
গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে চরম দুর্ভোগে নরসিংদী বাসী, অতিষ্ঠ জনজীবন
মোঃ মনসুর আলী শিকদার, নরসিংদী
|
![]() গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে চরম দুর্ভোগে নরসিংদী বাসী, অতিষ্ঠ জনজীবন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নেই বিদ্যুতের নিশ্চয়তা। দিনে ও রাতে মিলে ঘণ্টা পর ঘন্টা লোডশেডিং। নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ জানিয়েছে, জেলার চাহিদা ১২০ মেগাওয়াট হলেও জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ মিলছে মাত্র ১০০-থেকে১১২ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ভোগান্তির শিকার সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। তীব্র গরমে রাতে ঘুমাতে পারছেন না কেউ। ভোল্টেজ আপ-ডাউনে নষ্ট হচ্ছে ফ্রিজ, ফ্যান, টিভিসহ দামি ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী। গ্যাস: চুলা জ্বলে না গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নরসিংদী শহর ও আশপাশের এলাকায় সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত গ্যাসের চাপ প্রায় থাকেই না। দুপুরে রান্না করতে পারছেন না গৃহিণীরা। রাত দুপুরের পরে সামান্য চাপ আসলেও তা দিয়ে এক বেলা রান্না করতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ছোট কারখানাগুলো পড়েছে সবচেয়ে বড় বিপাকে। এলপিজি কিনে খরচ বাড়ায় অনেকেই ব্যবসা বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। নরসিংদীর গৃহিণীরা বলেন, সকালে বাচ্চাদের নাস্তা বানাতেই ২ ঘণ্টা লাগে। গ্যাসের আশায় বসে থাকতে থাকতে স্কুলের দেরি হয়ে যায়। অনেকে বছরের পর এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাড়ি করেও গ্যাস সংযোগ নিতে পারছে না বাড়ির মালিকরা। গ্যাস-বিদ্যুৎ দুইটার সংকটের কারণে পানি তোলা, মোবাইল চার্জ, দোকানপাট, কলকারখানা সবখানে স্থবিরতা। অটো-রিকশা চালকরা চার্জ দিতে না পেরে আয় কমে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। অনেকেই বলছেন, “গরমে বিদ্যুৎ নাই, আবার রান্নার জন্য গ্যাসও নাই। আমরা যাবো কই?” বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। আর গ্যাস বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের স্বল্পতার কারণে চাপ কমিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে কবে নাগাদ এই সংকটের সমাধান হবে তার সুনির্দিষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেনি কেউ। গ্যাস ও বিদ্যুতের এই দ্বৈত যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নরসিংদীবাসী দ্রুত সমাধান চেয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
