ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬ ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলাদেশ কোরিয়া অংশীদারত্ব চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত ধাপে, খুলছে রপ্তানি ও বিনোয়েগের দুয়ার
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 27 July, 2026, 10:47 AM

বাংলাদেশ কোরিয়া অংশীদারত্ব চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত ধাপে, খুলছে রপ্তানি ও বিনোয়েগের দুয়ার

বাংলাদেশ কোরিয়া অংশীদারত্ব চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত ধাপে, খুলছে রপ্তানি ও বিনোয়েগের দুয়ার

বাংলাদেশের সঙ্গে কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট বা এক ধরনের অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের লক্ষ্যে চূড়ান্ত আলোচনায় বসেছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য আলোচনা বিভাগ গত ২৭ জুলাই এক ঘোষণায় জানায়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই বাজারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে সিউলে ২৭ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সিইপিএ আলোচনার পঞ্চম ধাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম হেরাল্ড করপোরেশন এবং এশিয়াটুডের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। আলোচনায় দুই দেশের প্রায় ৬০ জন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। এতে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্য আলোচনা বিভাগের মহাপরিচালক পার্ক গুন-ও এবং বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তার।

আগের বৈঠকগুলোর অর্জনের ওপর দাঁড়িয়ে এবার আটটি আলাদা ওয়ার্কিং গ্রুপে আলোচনা এগোচ্ছে। এগুলো হলো—পণ্য, সেবা, বিনিয়োগ, পণ্যের উৎপত্তিস্থল সংক্রান্ত বিধিমালা (রুলস অব অরিজিন), ডিজিটাল বাণিজ্য, মেধা স্বত্ব বা বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিকার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং সাধারণ নিয়মনীতি। এর মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সুরাহা করে পুরো আলোচনাকে একদম শেষ ধাপে নিয়ে যাওয়াই মূল লক্ষ্য।

এর আগে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার সূচনা ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত দুই দেশ চারটি আনুষ্ঠানিক পর্বের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি মধ্যবর্তী বৈঠকও সম্পন্ন করেছে। এ সময়ে শুল্ক প্রক্রিয়া, পণ্যের উৎপত্তিস্থলের নিয়ম, স্যানিটারি ও ফাইটোস্যানিটারি ব্যবস্থা এবং বাণিজ্যের প্রযুক্তিগত বাধা সম্পর্কিত চুক্তিপত্রের খসড়া পর্যালোচনায় স্পষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশও নিজেদের বাজার উন্মুক্ত করতে আঞ্চলিক সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে (আরসিইপি) যোগ দেওয়ার পাশাপাশি জাপানসহ প্রধান প্রধান দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কোরিয়া-বাংলাদেশ সিইপিএ স্বাক্ষরিত হলে দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন রপ্তানি বাজার যেমন তৈরি হবে, তেমনই অবকাঠামো, উৎপাদন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো নানা ক্ষেত্রেও দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে।

বাণিজ্য আলোচনা বিভাগের মহাপরিচালক পার্ক গুন-ও বলেন, ‘বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অত্যন্ত দ্রুত বর্ধনশীল একটি মূল বাজার। এই সিইপিএ সম্পন্ন হলে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে ব্যবসার প্রসার ঘটবে এবং বিশ্বব্যাপী তাদের সরবরাহ শৃঙ্খলেও নতুন বৈচিত্র্য আসবে।’ বাকি অমীমাংসিত বিষয়গুলোর দ্রুত সমাধান টেনে আলোচনাকে এক সফল পরিণতিতে পৌঁছাতে তাঁদের প্রতিনিধিদল পূর্ণ উদ্যমে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status