|
পাইকগাছায় আরএফএল'র কর্মী বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ডে থানায় মামলা; রহস্য ঘনিভূত!
শেখ সেকেন্দার আলী, পাইকগাছা
|
![]() পাইকগাছায় আরএফএল'র কর্মী বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ডে থানায় মামলা; রহস্য ঘনিভূত! অন্যদিকে নিহতের রুমমেন্ট আরএফএল' র টেকনিশিয়ান অন্তর সরকার (২৩) মাদারীপুরের কালকিনী'র লক্ষ্মীপুর ফাঁসিয়াতলা'র লিটন সরকারের ছেলে। পুলিশ জানান,তারা দু'জনই পৌরসভার ৫ নং নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা ব্যবসায়ী রামপ্রসাদ মন্ডলের বাড়ীর নিচতলার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সুত্র জানান, মঙ্গলবার শেষ বিকেলে ঐ ভাড়া বাসার কক্ষের তালা ভেঙে লাশ উদ্ধারের পুর্বেই বিশ্বজিৎ এর রুমমেন্ট অন্তর সরকার তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। সংশ্লিষ্টরা ধারনা করছেন,পরিকল্পিত ভাবে সোমবার রাতে হয়ত খাবার বা কোমল পানীর সাথে নেশা জাতিয় কোন দ্রব্য মিশিয়ে বিশ্বজিৎকে খাওয়ানো হয। এর পর অচেতন অবস্থায় তার গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপুর্যুপরি ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়। মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট ঘটনাস্থল ভাড়া বাসার কক্ষ থেকে গায়ে সবুজ গেঞ্জি ও পরনে জিনসের প্যান্টসহ বিশ্বজিৎ এর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় ১টি ছোট চাপাতি ৩টি রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হলেও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল পাওয়া যায়নি। পুলিশের সন্দেহ ঘাতকের হাতে এ মোবাইলটি এবং হত্যাকান্ডে এক বা একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। কিন্তু কি কারণে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এর রহস্য এখনো পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি। এদিকে পুলিশ লাশের সুরোতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করে ময়না তদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। বাড়ী মালিক রামপ্রসাদ মন্ডল জানান, গত দু'মাস হল বিশ্বজিৎ ও অন্তর ভাড়াটিয়া হিসেবে বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষে থাকতেন। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বেলা ১ টার দিকে এএসপি ( ডি সার্কেল) আমীর হামজা ও ওসি ঘটনাস্থলে পৌছে ভাড়া রুমের তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে থানার ইন্সপেক্টর( অপারেশন) জুলফিকার আলী খান এ হত্যাকান্ড সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। তবে, রহস্য উন্মোচনে তদন্ত অব্যাহতের কথা বলে তিনি আরোও বলেন, মেডিকেল রিপোর্ট ছাড়া হত্যাকান্ড সম্পর্কে কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
