|
আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন? বাধা দেখছেন না তথ্য উপদেষ্টা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() আওয়ামী লীগ নেতারা স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন? বাধা দেখছেন না তথ্য উপদেষ্টা মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগ গত সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলটির নেতাকর্মীরা অংশ নিতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল উপদেষ্টার সামনে। জবাবে তিনি বলেন, কোনো রকম কোনো সমস্যা নেই। মানে একজন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান, তিনি যদি আওয়ামী লীগের. কারণ এটা নির্দলীয়, এখানে কেউই দলের কথা বলবেন না। একজন নির্দলীয় ব্যক্তি আসলেন কিন্তু তিনি তার ক্যাম্পেইনে আওয়ামী লীগ বা তাদের যা যা বলার সেগুলো বললেন–সেটা প্রবলেম হবে। এর বাইরে নির্দলীয় ব্যক্তি, তার যে ক্রাইটেরিয়া (শর্ত) আছে নির্বাচনটা করার জন্য, সেটা যদি তিনি ফুলফিল করতে পারেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন। নিশ্চয় পারেন। যদি নির্বাচনে আসা কারো আওয়ামী লীগের পদ-পদবি থাকে, তাহলে কী হবে? এই প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগের পোস্ট পজিশন আসলে যেটা হয় আরকি, সংগঠনের কর্মসূচি যেহেতু নিষিদ্ধ আছে, এই পোস্ট পজিশন তিনি তো আসলে ব্যবহার করছেন না, তিনি করতে পারেন না। ব্যক্তি হিসেবে যে কেউ যদি ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করতে পারেন, তিনি যদি মনে করেন নির্বাচন করবেন, তিনি নির্বাচন করতে পারেন। সরকারের দিক থেকে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই এই ব্যাপারে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তারা কি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন? এ প্রশ্নে জাহেদ উর রহমান বলেন, আপনাকে এটা জানতে হবে, মামলা থাকলেও তো জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা যায়। আমি আবারও বলছি, স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর যে ক্রাইটেরিয়া আছে… আমি আরেকটু সহজ করে দিই, ধরুন এই পার্লামেন্ট ইলেকশনে আওয়ামী লীগের কোনো এককালের নেতা চাইলেন যে তিনি নির্বাচন করবেন, তিনি নির্বাচন করতে পারতেন। এমনকি মামলায় থাকা, জেলে থাকার পরও। কারণ সংসদ নির্বাচনে বলছে, আপনি দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত হতে হবে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে, এর আগ পর্যন্ত আপনি তো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন। সো এই সুযোগগুলো তখনও ছিল, এখনও আছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোথাও কোথাও ছাত্রদলের ওপর আক্রমণ করছে বলে খবর আসছে। এমনকি মাইকে ঘোষণা দিয়েও হামলা হয়েছে। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, ব্যবস্থা যদি না নেওয়া হত, বা সরকার যদি অ্যালার্ট না হত, তাহলে এই প্রবণতা কিন্তু আরও বেশি হত। আমরা একটা কথা বারবার বলছি, একটা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও আইন ভঙ্গের প্রবণতা থাকে। এটা সব দেশে থাকে, আর আমাদের মত দেশে তো আরও বেশি থাকে। এটা হলো এক নম্বর। দুই নম্বর হচ্ছে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে, যারা নিষিদ্ধ আছে। আপনারা খেয়াল করবেন,… ২০০৯ সালের যে সন্ত্রাস দমন আইনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে ফর দ্য টাইম বিয়িং, সেটার যে অধ্যাদেশ ছিল, সেটাকে এই সরকার আইনে পরিণত করেছে। তার মানে সরকার চাইছে তার কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকুক। এটার সমালোচনাও অনেকে করছেন। তার মানে সরকারের ইনটেনশনটা আমি জানিয়ে দিলাম যে সরকার চাইছে এটা থাকুক। এ কারণে কোথাও কোথাও হামলার মত ঘটনা ঘটেছ, সে কথা স্বীকার করে উপদেষ্টা বলেন, সেটা নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চয় সিরিয়াস থাকবে এবং একটা যেটা বললেন যে খুব বড় স্কেলে করার চেষ্টা হয়েছে মাইকে কথা বা ঘোষণা দিয়ে, এই প্রবণতা বন্ধ করার জন্য কাজ করবে এই সরকার। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
