|
ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন এস এম জাহাঙ্গীর
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন এস এম জাহাঙ্গীর সরেজমিনে ঢাকা-১৮ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ঘুরে দেখা গেছে, শনিবার সকাল নির্বাচনসংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে মধ্যাহ্নভোজের পরই তিনি পায়ে হেঁটে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা কার্যক্রম শুরু করেন। প্রথমে খিলক্ষেত থানার কয়েকটি এলাকায় গণসংযোগ শেষে তিনি ছুটে যান দক্ষিণখান থানার ফায়দাবাদ এলাকায়। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক গণসংযোগ। গণসংযোগকালে প্রার্থীকে কাছে পেয়ে অনেকেই সেলফি তুলেছেন, কেউ আবার এলাকার সমস্যা ও ব্যক্তিগত অভিযোগ তুলে ধরেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে কিছু আবদার পূরণ করা হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধানে দেওয়া হয়েছে আশ্বাস। বিশেষ করে খিলক্ষেত, উত্তরখান ও দক্ষিণখান এলাকার পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট ধাপে ধাপে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন এস এম জাহাঙ্গীর। পায়ে হেঁটে গণসংযোগ চলাকালে রাস্তার দুই পাশে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ—সবাই দু’হাত নেড়ে প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান। ফায়দাবাদ এলাকার বয়োবৃদ্ধ হাসেম মিয়া বলেন, “এস এম জাহাঙ্গীর আইলে আমাগো উপকার হইবো। হেতে আগে এমপি না থাহাকালেও আমাগো সাহায্য করছে। পোলাডা ভালা আছে।” গণকবরস্থান রোড এলাকার পঞ্চাশোর্ধ জহুরা বলেন, “মেলাদিন পরে ভোটে আনন্দ লাগতেছে। আমরা পানি চাই, গ্যাস চাই, বিদ্যুৎ চাই। যে এসব সমস্যা সমাধান করবার পারবো, তাকেই আমরা ভোট দিমু।” স্থানীয় কয়েকজন তরুণ-তরুণীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তারা এস এম জাহাঙ্গীরকেই বেছে নিতে চান। তাদের মতে, একটি এলাকার উন্নয়নের জন্য তারুণ্য ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা—দুটোই জরুরি, যা এস এম জাহাঙ্গীরের মধ্যেই বিদ্যমান। নির্বাচনী প্রচারের স্বল্প সময়ে কত শতাংশ ভোটারের কাছে পৌঁছাতে পেরেছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন প্রতিটি ভোটারের কাছে পৌঁছাতে। তবে নির্বাচন কমিশনের বিধি-নিষেধ ও সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে সবার কাছে যাওয়া সম্ভব হয়নি। দলের নেতাকর্মীরা ভোটারদের কাছে তার ও দলের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন বলে জানান তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-১৮ আসনের আটটি থানার মানুষ বিপুল ভোটে তাকে বিজয়ী করে সংসদে পাঠাবেন। এদিনের গণসংযোগে দেখা যায় ব্যতিক্রমী চিত্র। শুরুতে কয়েকশ নেতাকর্মী নিয়ে কর্মসূচি শুরু হলেও দক্ষিণখান থানা মোড়ে পৌঁছাতে তা কয়েক হাজারে দাঁড়ায়। পথিমধ্যে প্রতিটি ইউনিট ও কেন্দ্রের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এতে যুক্ত হন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
