ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ২৪ জুন ২০২৬ ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
পটুয়াখালী শস্য ভাণ্ডার পটুয়াখালীতে বিলুপ্তর পথে কাস্তে দিয়ে ধান কাটার ঐতিহ্য
তুষার হাওলাদার, কলাপাড়া
প্রকাশ: Wednesday, 17 December, 2025, 1:00 PM

পটুয়াখালী শস্য ভাণ্ডার পটুয়াখালীতে বিলুপ্তর পথে কাস্তে দিয়ে ধান কাটার ঐতিহ্য

পটুয়াখালী শস্য ভাণ্ডার পটুয়াখালীতে বিলুপ্তর পথে কাস্তে দিয়ে ধান কাটার ঐতিহ্য

এক সময় পটুয়াখালী জেলার নাম উচ্চারণ হলেই চোখে ভেসে উঠত সোনালি ধানের ক্ষেত, কৃষকের হাতে কাস্তে আর মাঠজুড়ে উৎসবের আমেজ। বাংলার শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত এই জেলা আজও কৃষিনির্ভর হলেও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে ধান কাটার সেই চিরচেনা দৃশ্য- কাস্তে দিয়ে ধান কাটা।

আগে ধান কাটার মৌসুম এলেই গ্রামে গ্রামে শোনা যেত কৃষকের হাসি, গল্প আর কাস্তের ছন্দময় শব্দ। পরিবারের সবাই মিলে ধান কাটা ছিল আনন্দের, ছিল এক ধরনের সামাজিক বন্ধন। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র এখন অনেকটাই বদলে গেছে।

বর্তমানে অধিকাংশ কৃষক ধান কাটার জন্য ব্যবহার করছেন আধুনিক হারভেস্টার মেশিন। এতে যেমন সময় কম লাগে, তেমনি শ্রমিক সংকটও অনেকটা কাটে। ফলে কাস্তে দিয়ে হাতে ধান কাটার প্রচলন দ্রুত কমে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের অনেকেই কাস্তে দিয়ে ধান কাটার অভিজ্ঞতা তো দূরের কথা, এই ঐতিহ্যের গুরুত্বই জানবে না এমনটাই হতে চলেছে।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, শ্রমিকের অভাব, মজুরি বৃদ্ধি এবং দ্রুত ফসল ঘরে তোলার চাপের কারণেই তারা যন্ত্রনির্ভর হয়ে পড়ছেন। তবে প্রবীণ কৃষকদের চোখে আজও নস্টালজিয়ার ছায়া-তাদের মতে, কাস্তে দিয়ে ধান কাটার মধ্যে ছিল মাটির গন্ধ, ছিল আত্মার টান।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ জরুরি হলেও গ্রামীণ ঐতিহ্য সংরক্ষণেও উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। নইলে এক সময় পটুয়াখালী থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে কাস্তে দিয়ে ধান কাটার ঐতিহ্য।

কলাপাড়া প্রতিনিধি : তুষার হাওলাদার

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status