|
সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন কীভাবে, প্রস্তাবক-সমর্থকের করণীয় কী?
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন কীভাবে, প্রস্তাবক-সমর্থকের করণীয় কী? গত বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের জন্য তফসিল ঘোষণা করেন। এর পরদিন মনোনয়নপত্র দাখিল ও গ্রহণ, জামানত, প্রস্তাবকারী-সমর্থনকারীর যোগ্যতা, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনয়ন, মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের তথ্য প্রদান, মনোনয়নপত্র বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার, বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ—এমন সব বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। মনোনয়নপত্র জমা মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন হিসেবে আগামী ২৯ ডিসেম্বরকে ঠিক করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেকোনো দিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, যোগ্য ব্যক্তিরা মনোনয়নপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে জমা দিতে পারবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে। প্রার্থী ছাড়াও প্রস্তাবকারী বা সমর্থনকারীকে সরাসরি জমা দিতে হবে। মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার সময় মনোনয়নপত্রের নির্ধারিত স্থানে ক্রমিক নম্বর দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা। >> একজন প্রার্থী এক স্থানে একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দিলে সেক্ষেত্রে প্রথমে একটি পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে; পরেরগুলোতে বন্ধনী দিয়ে ক, খ অথবা ১, ২ ইত্যাদি দেওয়া যাবে। >> প্রাপ্তি স্বীকার রশিদ ও বাছাইয়ের নোটিস জানানো হবে প্রার্থী বা প্রস্তাবকারী বা সমর্থনকারীকে। প্রস্তাবক ও সমর্থক হতে পারবেন কারা প্রার্থী হতে যে যোগ্যতা লাগে, একই যোগ্যতা থাকতে হবে তার প্রস্তাবক ও সমর্থককে। তবে একই প্রস্তাবক ও সমর্থক আর অন্য কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে সই দিতে পারবেন না বলে ঘোষণা দিতে হবে। প্রার্থীকেও তিনটির বেশি মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন না বলে ঘোষণা দিতে হবে। পরিপত্রে প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবকারী-সমর্থনকারীদের যোগ্যতায় বলা হয়েছে—কোনো নির্বাচনি এলাকার যেকোনো ভোটার এ এলাকার সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের যোগ্যতা সম্পন্ন যেকোনো ব্যক্তির নাম প্রস্তাব বা সমর্থন করতে পারবেন। >> প্রস্তাবকারী বা সমর্থনকারী হিসেবে অন্য কোনো মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষরদান করেননি—এমন ব্যক্তি প্রস্তাবক বা সমর্থক হতে পারবেন। >>নির্ধারিত ফরমে প্রত্যেক মনোনয়ন প্রস্তাব পৃথক মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে, যাতে প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারীর সই থাকতে হবে। দলীয় প্রার্থীর প্রত্যয়ন রাজনৈতিক দল মনোনীত প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট দলের প্রত্যয়নপত্র মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। এক আসনে এক দলের একাধিক প্রার্থী থাকতে পারে, বাছাইয়ে বৈধ হলেও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগেই একজনকে চূড়ান্ত করতে হবে সংশ্লিষ্ট দলকে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের নিজস্ব প্যাডে দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের পদাধিকারী স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্রে দলের তরফে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার বিধান রয়েছে। >>মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়ই রাজনৈতিক দলের প্রার্থী মনোনয়ন সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। >>কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল একটি নির্বাচনি এলাকায় একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলে সংশ্লিষ্ট দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা অনুরুপ পদধারী কোনো ব্যক্তির স্বাক্ষরিত লিখিতপত্রের মাধ্যমে তিনি নিজে বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়ের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ২০ জানুয়ারি বিকাল ৫টার মধ্যে চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে। >> একটি আসনে একদলের একাধিক প্রার্থী থাকলে একজন চূড়ান্ত হওয়ার পর দলের মনোনীত অন্যান্য প্রার্থী আর প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন না। >> চূড়ান্ত মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী দলের অনুকূলে সংরক্ষিত প্রতীক বরাদ্দ পাবেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকা জমা দিতে হবে। এবার জামানত ৫০ হাজার টাকা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জামানতের অর্থ দিতে হবে। জামানতের পরিমাণ ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এবার ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। >> নগদ বা ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে পঞ্চাশ হাজার টাকা নির্বাচন কমিশনের অনুকূলে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে; >> একটি নির্বাচনি এলাকায় এক প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দিলেও কেবল একটির জন্য জামানত দিলেও চলবে। অন্য মনোনয়নপত্রের সঙ্গে চালান বা রশিদের সত্যায়িত অনুলিপি দিতে হবে। >> জামানত বাংলাদেশ ব্যাংকের যেকোন শাখায় অথবা যেকোন ব্যাংক অথবা সরকারি ট্রেজারি অথবা সাব ট্রেজারিতে ১০৯০৩০২১০১৪৪৩-৮১১৩৫০১ কোডে জমা দিতে হবে। >>নগদ জামানতের অর্থ রিটার্নিং কর্মকর্তা অথবা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্ধারিত রশিদের মাধ্যমে নেবেন, যা সরকারি খাতে জমা দেওয়া হবে। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগ পেলেই জামানতের অর্থ ফেরত পান প্রার্থীরা, এক অষ্টমাংশ না পেলে জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়। অন্যান্য ইসির পরিপত্র সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রার্থী, সমর্থক, প্রস্তাবকের পাশাপাশি সবার জানার সুবিধার্থে ইসির ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর দাখিলকারীদের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সেবা সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেও দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। >> মনোনয়নপত্রের বিবরণী প্রকাশ: মনোনয়নপত্রে পাওয়া প্রার্থীর নাম, প্রস্তাবকারীর নাম এবং সমর্থনকারীর নাম ইত্যাদির ুবিবরণী সংবলিত বিজ্ঞপ্তি কোনো দর্শনীয় স্থানে টানিয়ে দেবেন রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা। >> মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর ঋণ খেলাপি সংক্রান্ত তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো ও অন্যান্য ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যাচাই করার লক্ষ্যে বাংলা ও ইংরেজিতে মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম ও স্বামীর নাম (বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে), ১০ ডিজিট ও ১৭ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্ম তারিখ, করদাতা শনাক্তকরণ সংখ্যা এবং বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা পাঠাতে হবে। >> বিবরণী প্রস্তুত করে ব্যাংক ও বিভিন্ন কর্তৃপক্ষকে দেওয়ার পাশাপাশি মনোনয়নপত্র দাখিলকারীদের বিভিন্ন তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, স্থানীয়ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্য কোনো ব্যাংকের প্রতিনিধি অথবা আইনশৃঙ্খখলা রক্ষাকারী বাহিনী বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান নিতে ইচ্ছুক হলে তা দেওয়া যাবে। মনোনয়পত্র বাছাই মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় আইন অনুসারে প্রার্থী, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট, প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী এবং প্রার্থীর ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ব্যক্তি উপস্থিত থাকতে পারেন। এবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের জন্য ছয় দিন ঠিক করা হয়েছে। তারা যদি মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করে চান, তবে তাদেরকে সেই সুযোগ দিতে হবে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে। >>উপস্থিত সবার সামনে রিটার্নিং অফিসার মনোনয়নপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন এবং কেউ কোনো মনোনয়নপত্র সম্পর্কে আপত্তি উত্থাপন করলে তা নিষ্পত্তি করবেন। >> কোনো প্রার্থী সংসদ নির্বাচনে অযোগ্যতা, প্রস্তাবকারী বা সমর্থনকারী মনোনয়নপত্রে প্রস্তাব বা সমর্থন করার যোগ্য কি না, তাদের সই আসল কি না—সে বিষয়ে কোনো আপত্তি উত্থাপিত হলে সংক্ষিপ্ত অনুসন্ধান করতে পারবেন এবং সন্তোষজনক মনে করলে মনোনয়নপত্র বাতিল করতে পারবেন। >> স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে শতকরা ১ শতাংশ ভোটারের সই বা তথ্য যাচাই করা হবে। >> তারপর বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীর তালিকা প্রস্তুত করা হবে। সারবত্তাহীন ত্রুটি: ছোটখাট ত্রুটির জন্য কোনো মনোনয়নপত্র বাতিল করা যাবে না। যদি বাছাইয়ের সময় এমন ত্রুটি-বিচ্যুতি নজরে আসে, যা তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন সম্ভব; সেক্ষেত্রে দাখিলকারীর মাধ্যমে তা সংশোধন করে নিতে হবে। >> হলফনামায় কোনো তথ্য পরিবর্তন বা সংশোধন করা যাবে না। >>কোনো প্রার্থী একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করেন, তবে বাছাইয়ের সময় একটি মনোনয়নপত্র বৈধ পাওয়া গেলে অন্য মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রয়োজন হবে না। >>মনোনয়নপত্র গ্রহণ অথবা বাতিল নির্দিষ্ট স্থানে লিপিবদ্ধ করে রাখবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। ভোটার তালিকার ভিত্তিতে নামের শুদ্ধতা নির্ধারণ >> জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হলে দেশের যেকোনো একটি এলাকার ভোটার তালিকায় নাম থাকতে হবে। >> শুদ্ধভাবে প্রার্থীর নামসহ অন্যান্য তথ্য দিতে গিয়ে ভোটার তালিকায় উল্লিখিত নাম বা অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে হবহু নাও মিলতে পারে। এ ধরনের অমিলের কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা যাবে না। >>প্রার্থী বা প্রস্তাবকারী বা সমর্থনকারীর নামের বানান ও তথ্যাদি যাচাইয়ের জন্য প্রার্থী বা প্রস্তাবকারী বা সমর্থনকারীর এসএসসি পাসের সনদ বা অন্য কোনো সনদ অথবা স্বীকৃত কোনো পরিচয়পত্র দেখে নিশ্চিত হতে হবে। বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীর তালিকা কার্যালয়ের দর্শনীয় স্থানে টানিয়ে দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আপিল ও নিষ্পত্তি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর রিটার্নিং অফিসারের যেকোনো সিদ্ধান্তে কোনো প্রার্থী বা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোনো সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সংক্ষুব্ধ হলে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবে। >>৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি বিকাল ৫টার মধ্যে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী স্বয়ং অথবা প্রার্থীর লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত পদ্ধতিতে এ আপিল দায়ের করতে পারবেন। >>আপিল নিষ্পত্তি: মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আবেদনগুলো নির্বাচন কমিশন ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী লিখিত এবং স্বাক্ষরিত নোটিসের মাধ্যমে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ আবেদন করতে পারবেন প্রার্থীর লিখিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিও। >> একটি নির্বাচনি এলাকায় দলের একাধিক প্রার্থী থাকলে দলের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক বা অনুরূপ পদধারী কোনো ব্যক্তির স্বাক্ষরিত নোটিস অথবা প্রার্থী নিজে বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে রিটার্নিং অফিসারকে প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়নের বিষয় অবহিত করবেন এবং সংশ্লিষ্ট দলের অন্যান্য প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত হবে। >>প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হলে কোন অবস্থাতেই তা ফেরত বা বাতিল করা যাবে না। >>মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য নির্ধারিত শেষ দিন এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য নির্ধারিত শেষ দিন বিকাল ৫টার পর কোনো মনোনয়নপত্র দাখিল বা গ্রহণ করা যাবে না অথবা কোনো প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন না। চূড়ান্ত প্রার্থী ও আচরণবিধি অনুসরণ প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলকে তখন আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। >>সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, রাজনৈতিক দল অঙ্গীকারনামার ছক পূরণ করে তাদের মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে। >> প্রার্থীকেও আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকারনামা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
