|
কোটি টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ, বিপাকে অঙ্কিতা-ভিকি!
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() কোটি টাকা কর ফাঁকির অভিযোগ, বিপাকে অঙ্কিতা-ভিকি! এই ঘটনায় তারকা মহল থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সূত্রের খবর, গত ১২ ডিসেম্বর সকাল থেকে বিলাসপুরে জৈন পরিবারের একাধিক বাণিজ্যিক ও আবাসিক ঠিকানায় একযোগে হানা দেয় রায়পুর থেকে আসা বিশেষ জিএসটি এনফোর্সমেন্ট টিম। অফিস, কারখানা ও বাসভবন মিলিয়ে মোট ১১টি জায়গায় চলে দীর্ঘ তল্লাশি অভিযান। জিএসটি কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট (আইটিসি) ব্যবস্থায় গুরুতর গরমিলের অভিযোগ। বিশেষ করে কয়লা কেনাবেচা ও কয়লা মিশ্রণের লেনদেন সংক্রান্ত নথিতে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। কর হিসাবের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই নিয়ম ভাঙা হচ্ছিল—এমনই সন্দেহ জোরালো হয়েছে তদন্তকারীদের মধ্যে। এই অভিযানের জেরে শেষ পর্যন্ত তিনটি বড় কয়লা ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে বিপুল অঙ্কের কর ও জরিমানা জমা দিতে বাধ্য করা হয়েছে। এর মধ্যে ভিকি জৈনের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত সংস্থা ‘মহাবীর কোল ওয়াশারি’ অন্যতম। জানা গেছে, শুধু এই সংস্থাই প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০ কোটি টাকা কর ও জরিমানা হিসেবে জমা দিয়েছে। পরবর্তী সময়ে আরো দুটি সংস্থা যথাক্রমে ১১ কোটি ও ৬.৫ কোটি টাকা জমা দেয়। সব মিলিয়ে মোট অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ২৭.৫ কোটিরও বেশি। বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় অঙ্কের কর জমা দেওয়াই প্রমাণ করে যে অভিযোগ একেবারে ভিত্তিহীন ছিল না। তবে এই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত ভিকি জৈনের পরিবার বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই কর কেলেঙ্কারির খবর প্রকাশ্যে আসে ঠিক সেই সময়, যখন অঙ্কিতা লোখান্ডে ও ভিকি জৈন তাদের বিবাহবার্ষিকীর চতুর্থ বছর উদযাপন করছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন ও জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস’-এ তাঁদের উপস্থিতি ঘিরে আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন এই তারকা দম্পতি। এমন সময়ে পরিবারের ব্যবসা ঘিরে গুরুতর আর্থিক অভিযোগ ওঠায় স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার পারদ চড়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
