|
লংগদুতে দীপেন দেওয়ানকে স্বাগত জানাতে মানুষের ঢল
নোমাইনুল ইসলাম, বাঘাইছড়ি
|
![]() লংগদুতে দীপেন দেওয়ানকে স্বাগত জানাতে মানুষের ঢল সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম ইউনিয়ন থেকে দলবদ্ধভাবে মানুষ সভাস্থলে আসতে থাকে। নারী–পুরুষ, প্রবীণ, যুবক, শিক্ষিত তরুণ, শ্রমজীবী—সব পেশার মানুষের উপস্থিতিতে মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লংগদু উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন চেয়ারম্যান। সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, নাছির উদ্দীন চেয়ারম্যান, সিনিয়র সহ-সভাপতি, রাঙামাটি জেলা বিএনপি, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সহ-সভাপতি, সাইফুল ইসলাম পনির, সহ-সভাপতি, আলী বাবর, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, শফিউল আজম, যুগ্ম সম্পাদক, সাইফুল ইসলাম শাকিল, সাংগঠনিক সম্পাদক, এছাড়াও যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিকদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “লংগদু রাঙামাটির অন্যতম অবহেলিত একটি উপজেলা। বহু বছর ধরে এখানকার জনগণ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। আমি নির্বাচিত হলে বৈষম্য দূর করে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নেই নিজেকে উৎসর্গ করব।” তিনি বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন কার্যত পুরোপুরি থমকে ছিল। অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা—কোনো ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। বরং তারা ছিল লুটপাট, দুর্নীতি ও জনগণের অধিকার হরণে ব্যস্ত।” দীপেন দেওয়ান প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে বলেন, “অবহেলিত লংগদুবাসীর পাশে আমি সবসময় ছিলাম, আছি এবং থাকব। আপনাদের অধিকার ও উন্নয়নের প্রশ্নে কোনো আপস করব না।” তিনি আরও জানান, "লংগদুর ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক, ভাঙা ব্রিজ–কালভার্ট, দুর্বল বিদ্যুৎব্যবস্থা ও জরাজীর্ণ যোগাযোগ নেটওয়ার্কের দ্রুত সংস্কারে তিনি বিদ্যুৎ বিভাগ, এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে যোগাযোগ করবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণের আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেবেন। জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বলেন, “ধানের শীষের পক্ষে লংগদুতে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সবচেয়ে সক্ষম ব্যক্তি হচ্ছেন অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।” তারা দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে মাইনী বাজার মাঠ ছিল উৎসবমুখর। ব্যানার–ফেস্টুন, ধানের শীষের প্রতীক, কর্মীদের স্লোগান—সব মিলিয়ে মাঠ রূপ নেয় মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে বহু নারীও সমাবেশে অংশ নেন। এক প্রবীণ ভোটার বলেন, “দীর্ঘদিন পর লংগদুতে এমন বড় জমায়েত দেখলাম। মানুষ পরিবর্তনের ইচ্ছা প্রকাশ করতে জড়ো হয়েছে।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
