ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
সাম্প্রদায়িক নানা ইস্যু থেকেই যাচ্ছে পাঠ্যপুস্তকে: রাশেদা কে চৌধুরী
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Sunday, 10 February, 2019, 3:15 PM

সাম্প্রদায়িক নানা ইস্যু থেকেই যাচ্ছে পাঠ্যপুস্তকে: রাশেদা কে চৌধুরী

সাম্প্রদায়িক নানা ইস্যু থেকেই যাচ্ছে পাঠ্যপুস্তকে: রাশেদা কে চৌধুরী

শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে এখন তরুনদের মধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠছে মন্তব্য করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন,
সাম্প্রদায়িক ও বর্ণবাদিতার মতো নানা বিষয় এখনও পাঠ্যপুস্তকে থেকেই যাচ্ছে।আমরা পাঠ্যবইয়ের নানা ত্রুটির কথা আগেও বলেছি। লিখিতভাবেও কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।কিন্তু তার সমাধান হচ্ছে না।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে সকাল ১০টায় সিপিডির (সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ) এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বিএমএ এর সাবেক সভাপতি রশিদিন মাহবুব, সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ও সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান।

সভায় রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, আমরা বারবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলছি। কিন্তু এটি কতোটা পাঠ্যবইয়ে উঠে আসছে? নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে পড়তে হয় তার গায়ের রং কালো হলে কোনো জামা পড়তে হবে। এটি বর্ণবাদিতার শিক্ষাই দিচ্ছে না কি? সাম্প্রদায়িক নানা ইস্যু থেকেই যাচ্ছে বইয়ে। সম্প্রতি কোচিং বাণিজ্যে লাগাম টানার যে উদ্যোগ সরকার নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। আইন হওয়ার ছয় বছর পর অন্তত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সকল শিক্ষক নয় কিছু শিক্ষক শিক্ষাকে বাণিজ্য করে তুলেছেন। বাচ্চাদের জীবন এখন স্কুল ও কোচিং এ বাধা পড়ে গিয়েছে যা শিশুদের জন্য ক্ষতিকর। শিক্ষা আইন কাঠামো না আনলে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে না।

আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

প্রবন্ধে তিনি বলেন, ২০০০ সাল থেকে শিক্ষাখাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন রয়েছে উল্লেখ করার মতো। বেড়েছে উচ্চ শিক্ষা। আগে যেখানে উচ্চ শিক্ষার হার ছিলো ৫৬ দশমিক ৯ শতাংশ সেখানে বর্তমান হার ৭৬ দশমিক ৯ শতাংশ। তবে বেকারত্বের সমাধান করা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে প্রতি বছর গড়ে চাকরির বাজারে ৮ লাখ তরুণ-তরুণী প্রবেশ করছেন সেখানে কর্মসংস্থান হচ্ছে মাত্র ১৩ লাখ। তবে দেশের জিডিপির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১১ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিলো ৬ শতাংশ যা ২০১৮ সালে হয়েছে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। শুধু তাই নয় দরিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের হার কমে বর্তমানে হয়েছে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০০০ সালে ছিলো ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status