|
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ কেমন হল? বাস্তবায়ন কীভাবে?
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ কেমন হল? বাস্তবায়ন কীভাবে? কেমন হল এ ঘোষণাপত্র? কীভাবেই বা বাস্তবায়ন হবে? ‘সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত’ করার কথা থাকায় এর ‘প্রায়োগিক বাধ্যবাধকতা’ থাকল কি না? এ প্রশ্ন উঠছে। জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক মনে করছেন, সংবিধানের তফসিলে জুলাই ঘোষণাপত্রের অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলায় তার ‘প্রায়োগিক বাধ্যবাধকতা থাকল না’। তার মতে, বর্তমান সরকার ‘নির্বাচিত’ না হওয়ায় ত্রয়োদশ নির্বাচনের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবে, তাদের বিরোধিতার মুখে ঘোষণাপত্রটি বদলানোর সুযোগ থাকছে। জুলাই ঘোষণাপত্রের ‘সাংবিধানিক স্বীকৃতি থাকা উচিত’ বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য আব্দুল আলীম। অপরদিকে এই ঘোষণাপত্রে ‘হতাশা’ ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তার ভাষ্য, “পুরো জাতি আজকে হতাশ।” অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা ছাত্রদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি বলছে, একেবারে না হওয়ার চেয়ে একটা ঘোষণাপত্র হওয়াই ভালো। জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিকাল ৫টার পর জাতীয় সংগীত দিয়ে শুরু হয় ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ ঘোষণার অনুষ্ঠান। সেখানে কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে পাশের রেখে ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। ২৮ দফা এ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে। “৫ অগাস্ট ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হল।” তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হলে ঘোষণাপত্রের ভিত্তি কী দাঁড়াবে? এর ব্যাখ্যায় শাহদীন মালিক গণমাধ্যমকে বলেন, “তফসিল হল সংবিধানের অংশ, কিন্তু তার কোনো প্রায়োগিক বাধ্যবাধকতা নাই। তফসিলের ধরনের উপরে নির্ভর করে, এইটা কী হবে। যদি ঘোষণাপত্র তফসিলে আসে তাহলে এর কোনো প্রায়োগিক বাধ্যবাধকতা নাই। থাকবে না। “আর এটা, এখন যদি আপত্তি করে, বলে-না এই শব্দ আমার পছন্দ না। মানে সংসদের বিতর্কের সময়, এইটা আমার পছন্দ না, ওইটা আমার পছন্দ না। তখন কী হবে? তখন এটাকে কাটাছেঁড়া করতে হবে। সবাই তো এটাকে একবারে ১০০ শতাংশ মানতে নাও পারে। “তো যখন সংসদে আসবে, কোন দলে কত সদস্য থাকে, কার কী মত থাকে, সবাই তো এটার সাথে একমত নাও হতে পারে। ঠিক প্রত্যেকটা শব্দ যেভাবে লিখা হয়েছে তার সাথে একমত নাও থাকতে পারে।” এ বছরের জুলাইয়ের প্রথমার্ধে জুলাই ঘোষণাপত্রের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির মতামত নেওয়া হয়। চূড়ান্ত খসড়ার ওপর মতামত নিতে দলগুলোকে একটি খসড়াও দেওয়া হয়। দলগুলো একমত হলে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে এ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে, তখন বলা হয়। খসড়ায় তখন বলা হয়েছিল, “সংবিধানের প্রস্তাবনায় এর উল্লেখ থাকবে এবং তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সংযুক্ত থাকবে।” বিএনপির বিরোধিতায় জুলাই ঘোষণাপত্র প্রস্তাবনায় রাখার বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়; তবে প্রস্তাবনায় রাখার পক্ষে ছিল জামায়াতে ইসলামী। প্রস্তাবনায় ঘোষণাপত্রটি থাকলে কী হত, জানতে চাইলে শাহদীন মালিক বলেন, “সংবিধান কিসের আলোকে পড়তে এবং ব্যাখ্যা করতে হবে, সেইটার একটা দিকনির্দেশনা থাকে ওখানে (প্রস্তাবনা)। যেমন- সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা-এগুলি বলা আছে আমাদের প্রস্তাবনাটায়। মামলা মোকদ্দমায় আমরা আনি না। “মূল উদ্দেশ্য হল-সংবিধানের ধারাগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য এই কথাগুলো স্মরণে রাখতে হবে। এই কথাগুলোর উপর ভিত্তি করে সংবিধান ব্যাখ্যা করা হবে।” ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ‘পিপলস রিপাবলিক অব বাংলাদেশ’ বা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ নামের যে রাষ্ট্রের জন্ম হয়, তার সাংবিধানিক ভিত্তি হচ্ছে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। একাত্তরের সে দিনে পাকিস্তানের আইনসভায় নির্বাচিত তখনকার পূর্ব পাকিস্তান থেকে নির্বাচিত স্বাধীনতার পক্ষের সদস্যরা (জাতীয় পরিষদ সদস্য-এমএনএ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য-এমপিএ) ভারতের আগরতলায় একত্রিত হয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি ও তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করেন। প্রণীত হয় স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র। সেই ঘোষণাপত্রের ভিত্তিতে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার (মুজিবনগর সরকার) শপথ গ্রহণ করে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও সংবিধানের তফসিলে রাখা হয়েছে। তবে তারা সকলে ১৯৭০ এর নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদ সদস্য হওয়ায় তখনকার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। শাহদীন মালিকের ভাষ্য, “ওটার গুরুত্ব অন্যরকম। তারা তো সবাই নির্বাচিত। জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। সত্তরের নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলেন এবং সেটি নির্বাচিত প্রতিনিধির ঘোষণা। “আর একটা ‘অনির্বাচিত’ দলের একটা ঘোষণা অবশ্যই আরেকটা বিষয় হল।” গতবছরের ২৯ ডিসেম্বর ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আনেন অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর ওই ঘোষণাপত্র প্রকাশের কর্মসূচি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ২৯ ডিসেম্বর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নাৎসি বাহিনীর মত অপ্রাসঙ্গিক এবং ১৯৭২ সালের সংবিধানের ‘কবর’ রচনা করা হবে।” প্রথমে সরকার এর সঙ্গে যুক্ত না হলেও পরে সরকারের তরফ থেকেই ঘোষণাপত্র তৈরির উদ্যোগের কথা বলা হয়। সংস্কার কমিশনগুলোর প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার পাশাপাশি ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ এবং ‘জুলাই সনদ’ (জাতীয় সনদ) তৈরির কাজ চলে। একটি সংগঠন বা রাজনৈতিক দল না দিয়ে ঘোষণাপত্রটি সরকার দেওয়ায় এটি আরও জোরদার হল কিনা- এমন প্রশ্নে শাহদীন মালিক বলেন, “এখন তো কোনো আইনগত ভিত্তি নাই। মানে এটাকে তো কোনো আইনি দলিল বলা যাবে না। কারণ, আইন তো করবেন সংসদ সদস্যরা। “এর মানে আমার আইনগত দৃষ্টি থেকে এটার কোনো প্রায়োগিক মূল্য এই মুহূর্তে নাই। যদি এটা সংবিধানের তফসিলে আসে তাহলে হয়তো ওটা, কোনো কোনো সময় ওটার আমরা আশ্রয় নিতে পারব। তফসিলে কীভাবে আসে সেটার উপর নির্ভর করবে।” অভ্যুত্থানের ছাত্র নেতাদের দল এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, “দেরিতে হলেও জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা একটা ভালো খবর। যত দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায় সেটাই প্রত্যাশা। সমালোচনার জায়গা আছে। একেবারে না হওয়ার চেয়ে একটা ঘোষণাপত্র হওয়াই ভালো।” জুলাই ঘোষণাপত্র সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্থান দেওয়া দরকার ছিল মন্তব্য করে জামায়াত নেতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে গণমাধ্যমকে বলেন, “এই ঘোষণাপত্রে আমরা হতাশ, পুরো জাতি আজকে হতাশ।” গতবছরের ৫ অগাস্ট থেকে এটা বাস্তবায়ন করবে বলে শুনে ছিলেন তুলে ধরে তিনি বলেন, “কিন্তু এটা কখন থেকে বাস্তবায়ন হবে তার কোনো নির্দেশিকা নেই। “শহীদ পরিবার ও পঙ্গুদের ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই। যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছিলেন তাদের বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করার দাবি ছিল জাতির পক্ষ থেকে। তাদের ভাতার ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল। পৃষ্ঠপোষকতার কথা বলার কথা ছিল। এর কিছুই এখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ হয়নি।” ঘোষণাপত্রটি সংবিধানে কীভাবে থাকবে, তা নিয়ে ভিন্নমত সত্ত্বেও এর আলোকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য আব্দুল আলীম। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, “জুলাই ঘোষণাপত্রের সাংবিধানিক স্বীকৃতি থাকা উচিত। সংবিধানে কীভাবে থাকবে, তা নিয়ে দলগুলোর ভিন্নমত থাকলেও এ ঘোষণাপত্রের আলোকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।” তা না হলে ‘বিপদ’ দেখছেন তিনি। “এইটাই মূল পয়েন্ট। এটি নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত; এটার একটা স্বীকৃতি থাকা উচিত। যেহেতু আমরা ১৯৭১ সালে আমাদের যে আন্দোলন, যে যুদ্ধ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, এটাকে আমরা আমাদের স্বাধীনতা এবং জুলাই ২০২৪ কে আমরা বলছি ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা-বাংলাদেশ ভার্সন টু’ তার এটা একটা স্বীকৃতি থাকা দরকার।” তা না হলে মানুষ এটাকে ‘ভুলে যাবে’ মন্তব্য করেন আব্দুল আলীম বলেন, “আরেকটা বড় জিনিস হচ্ছে-এটার চেতনা, তাৎপর্য ধারণ করা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যেকেরই এই যে ঘোষণাপত্রটা, এটার চেতনা, এটার তাৎপর্যটাকে ধারণ করা জরুরি।” তৃতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোকে এই ঘোষণাপত্রের আলোকে দেশ গঠনে একসঙ্গে, ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাজ করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ঘোষণাপত্রকে ‘গণঅভ্যুত্থানেরই অর্জন’ বলে দাবি করেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তার ভাষ্য, “সে কারণে এর আকাঙ্ক্ষাকে আমরা পূর্ণভাবে ধারণ করি। মুক্তিযুদ্ধসহ এদেশের মানুষের শত শত বছরের সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় এই অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে আমরা মনে করি। “কিন্তু এই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন না করা হলে অতীতের মতোই পুরোনো বন্দোবস্ত আবারো ফেরত আসবে, জনগণকে অধিকারহীন করবে।” তার মতে, ন্যায়বিচার, সংস্কার, নির্বাচনের পথেই শহীদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে। জনগণ ‘জেগে’ থাকলে ‘ফ্যাসিবাদ’ আর ফেরত আসতে পারবে না। গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর গণমাধ্যমকে বলেন, “ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপের জন্য রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে ব্যাপক যে জনআকাঙ্খা তৈরি হয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য একটা আইনগত ও নৈতিক ভিত্তি এই ঘোষণাপত্রে দেওয়া হবে। “কিন্তু ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের বিষয়ে খুব একটা ফোকাস করা হয়নি। আগামী নির্বাচন এবং সংসদের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এতে জনআকাঙ্খার কতটা বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।” এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ গণমাধ্যমকে বলেন, “ঘোষণাপত্র শুনে মনে হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানের যে দরদ, ১৪০০ শহীদের প্রতি যে আবেগ থাকার কথা ছিল, সেই দরদ দেখি নাই। “আমরা যা যা বলেছিলাম, তার কিছুই এখানে নেই। মনে হচ্ছে একজন আমলাকে দিয়ে লেখানো হয়েছে।” ঘোষণাপত্রে ‘আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধের বয়ান’ আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ফুয়াদের দাবি, অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যেটা চব্বিশের সমমানের নয়, সেগুলোকে বড় আকারে দেখানো হয়েছে। চব্বিশকে ‘ম্লান’ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এক দুইটা দলকে খুশি করবার আকাঙ্খাকে সামনে রেখে আবেগহীন, ভালোবাসাহীন, দরদহীন, গণঅভ্যুত্থানের ন্যূনতম আবেগ না রেখেই এটা করা হয়েছে। তারপরও এটাকে আমরা স্বাগত জানাই। ঘাটতিগুলো যেন সনদের মধ্য দিয়ে পূরণ হয়।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
