|
প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কে রাজনৈতিক দলগুলো
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কে রাজনৈতিক দলগুলো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, আপনাদের পরামর্শ নিয়েই এগোতে চাই। সর্বোপরি, রাজনৈতিক নেতারা যদি সমর্থন না দেন, আমাদের যত এক্সারসাইজ আছে- ইট উইল অল অ্যান্ড ইন ফিউটিলিটি। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শুরু করে আবার এগোতে পারেনি। অনেক দেশ চালু করেছে, অনেক দেশ করতে পারেনি। আমরা চাই, পরবর্তী নির্বাচনে অন্তত যাত্রা শুরু হোক। তিনি বলেন, বর্তমান ইসি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটিং চালুর বিষয়ে উদ্যোগী রয়েছি। ইসি ওয়াদাবদ্ধ এবং প্রধান উপদেষ্টাও জাতির কাছে একই ওয়াদা করেছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, প্রবাসীরা যাতে ভোট দিতে পারে এটা বিএনপির দাবি ছিল। এখন নির্বাচন কমিশন বা সরকার বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে সবচেয়ে যেটা সহজ, বোধগম্য, গ্রহণযোগ্য ও সাশ্রয়ী হবে- সেই প্রক্রিয়ায় প্রতি সম্মতি জানাবে বিএনপি। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের যে পার্সেন্টেজের কথা বলা হচ্ছে, এর কোনো নির্ভরযোগ্যতা আছে কিনা, বলা যাবে না। একটা উপস্থাপনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ২৯ লাখ আছে ভারতে। এটা কী সঠিক? আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কোনো সূত্র নেই। বাংলাদেশ থেকে কত মানুষ প্রবাসে স্থায়ী হতে যায়, এই তালিকা মন্ত্রণালয় বা বিএমইটি, কোথাও নেই। কত প্রবাসী ফিরে এসেছেন সেই তালিকাও নেই। এসব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হয়। বিএনপির এই নেতা বলেন, অনেক প্রবাসীর পাসপোর্ট নেই। অনেকে আবার মৃত ব্যক্তির পাসপোর্টে প্রবাসে যায়। তাই শুধু এনআইডি বিবেচনায় নিয়ে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টি যথেষ্ট নয়। কেননা, সবার এনআইডি নেই। তাই পাসপোর্টও বিবেচনায় নিতে হবে। আবার অনেকের কোনোটাই নেই। এ বিষয়গুলোর কী হবে? আমাদের দূতাবাসগুলোর যে অবস্থা, তাতে তাদের ওপর ভরসা করলে ঝুঁকি হবে। দূতাবাসের সঙ্গে ইসির লোকবল যদি থাকে, সেটা যদি করা যায়; ডেটাবেজটা থাকলে অনেক কাজে লাগবে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালট, অনলাইন ভোটিং ও প্রক্সি ভোটিংয়ের যে কোনো একটি পদ্ধতি চালু করতে চায় ইসি। গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে ইসির প্রস্তাবিত প্রক্সি পদ্ধতির পক্ষে রয়েছে তার দল। কারণ প্রস্তাবিত অন্য দুই পদ্ধতি অনলাইন ও পোস্টাল ভোটিংয়ের মধ্যে এটি কিছুটা সহজ। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, প্রবাসীদের ভোটের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তিনটি পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। ট্রাস্ট অ্যান্ড কনফিডেন্স জাতি হারিয়ে ফেলেছে। সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরশাসক আমলে ইসির যে কর্মকা-, তখন ভোটই হয়নি। প্রার্থী সিলেকশন হয়েছিল। পৃথিবীর কোনো নির্বাচন কমিশনের এটি অ্যালাউ করার কথা নয়। সেমিনারে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ ২১ দলের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলামের খানের নেতৃত্বে ছিলেন ইসমাইল জবিউল্লাহ ও সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। এ ছাড়া এলডিপি, সিপিবি, জেএসডি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, এনপিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিত, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, এনডিএম, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ জাসদ, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিনিধিসহ সংবাদমাধ্যম, কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
