|
১৫০ কোটি টাকা পাচ্ছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতরা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ১৫০ কোটি টাকা পাচ্ছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতরা সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক চিঠি থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে এ তথ্য। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের কাছ থেকে চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারের কাছে পাঠানো হয় চিঠিটি। চিঠিতে উল্লেখ আছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সহায়তা ও আহতদের চিকিৎসা বাবদ অনুদান দিতে চলতি (২০২৪-২৫) অর্থবছরে অর্থ বিভাগের বাজেটের অধীন ‘অপ্রত্যাশিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা খাত’ থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে ১২০০১৬৬০১-কোডে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারকে সহায়তা ও আহতদের চিকিৎসা বাবদ সহায়তা’ শীর্ষক খাতে ২৩২ কোটি ৬০ লাখ টাকা থেকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা অনুদান বাবদ ১৫০ কোটি টাকা বিভাজন ও শর্তানুসারে অর্থছাড়ে অনুমোদন দেওয়া হলো। আহতদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ক্যাটাগরি ‘এ’ তে থাকা এক হাজার ব্যক্তি প্রতিজন দুই লাখ টাকা করে মোট ২০ কোটি টাকা পাবেন। ক্যাটাগরি ‘বি’ তে থাকা তিন হাজার জন প্রতিজন এক লাখ টাকা করে মোট ৩০ কোটি টাকা পাবেন। ক্যাটাগরি ‘সি’ তে থাকা ৪ হাজার আহতের প্রতিজন এক লাখ টাকা করে মোট অনুদান পাবেন ৪০ কোটি টাকা। আর ক্যাটাগরি ‘ডি’ এর প্রত্যেক আহত পাবেন ৫০ হাজার টাকা করে। এক্ষেত্রে সাত হাজার আহত ব্যক্তি মোট অনুদান পাবেন ৩৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া আহতদের দেশে-বিদেশে পরামর্শ সেবার জন্য ২৫ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হবে। ছাড়কৃত ১৫০ কোটি টাকা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা যথাযথ বিলের মাধ্যমে অর্থ বা চেক উত্তোলন করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সহায়তা ও আহতদের চিকিৎসা অনুদান কার্যক্রম’ নামে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, রমনা কর্পোরেট শাখায় উন্মুক্ত করা চলতি হিসাবে জমা করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা অনুদান বাবদ সহায়তা দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে চিঠিতে। সেইসঙ্গে শহীদ পরিবারের ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকা করে মাসিক মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে হস্তান্তর করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যা মেয়াদপূর্তিতে নগদায়নযোগ্য হবে। চিঠির নির্দেশনা অনুযায়ী, এ অর্থ ব্যয়ে প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান ও অনুশাসনাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সহায়তা ও আহতদের চিকিৎসা অনুদান বাবদ বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে এ সংক্রান্ত নীতিমালাও জারি করতে হবে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
