উত্তরবঙ্গের কয়েকটা উপজেলায় স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের, অনলাইনে আইসিটি কোর্স এবং শিক্ষানবিশ ভাতা প্রতি মাসে ৪,০০০ টাকা দেওয়ার নাম করে, অনলাইনে মিটিং অ্যাপ থেকে ক্লাস নেন। আর ক্লাস চলাকালিন সময় চাকুরী দিবেন বলে কথা দেন। কিন্তু তার ভুয়া একটি ভর্তি এবং রেজিষ্ট্রেশন ফরম এর জন্য ৪৬০+৮৫০= ১,৩১০ টাকা বিকাশে নিয়ে নেন।
প্রথমে তিনি স্কুল কলেজের প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকাদের ফোন করে গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের চাইতেন। তারপরে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অন্যান্যদের নাম্বার চাইতেন। ১ মাস ক্লাস হওয়ার পর তিনি তাদের সাথে অত্যন্ত বাজে ব্যবহার করতেন এবং নানা রকম মানষিক চাপ প্রয়োগ করতেন। যাতে করে একজন ছাত্র-ছাত্রী নিজে থেকেই উক্ত অনলাইন ক্লাস ত্যাগ করেন।
তিনি বিশেষ করে শহরে না করে, বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল এলাকার মেয়েদের লক্ষ করেন। তিনি কখনোই তাদের কাছে নিজের নাম বা নিজের ঠিকানা প্রকাশ করেন নি। বলছি মো: আলমগীর হোসেনের কথা। তিনি একজন শিক্ষক। তিনি টাঙ্গাইল জেলায় থাকেন।কুড়িগ্রাম জেলার হলোখানা ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ও চিলমারী উজেলার ঢুষমারা ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাদের সাথেও এমন প্রতারনা করেছেন। আমরা উক্ত শিক্ষক এবং শিক্ষিকার সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছি। তারা আলমগীর হোসেনের ফাঁদের ব্যপারে কিছু জানতেন না। আমরা ভুক্তভোগী ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলেছি। তাদের দাবী আমাদের মতো যেন আর কোনো ভাই-বোন এমন হয়রানির স্বীকার না হয়। এবং উক্ত চক্রটি যাতে আর কারো ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য তাদের যেন কঠর ব্যবস্থা নেয়া হয়।
আরও বলা যায় যে, আমরা আলমগীর হোসেনের সাথে ফোনাআলাপের একসময় উনি নিজ মুখেই স্বীকার করেছেন যে তার এই ব্যবসাটি বাংলাদেশের বেশ কিছু জেলায় চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন আমাদের কথায় শিক্ষার্থীরা নাচবে, আপনার কথায় নয়! পরে সমস্ত যোগাযোগ মাধ্যম থেকে আমাদের ব্লক করে দেয়া হয়।