ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২১ জুন ২০২৬ ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ভয়ংকর সব মাদক সেবন করেন ইলন মাস্ক!
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Tuesday, 9 January, 2024, 2:11 PM

ভয়ংকর সব মাদক সেবন করেন ইলন মাস্ক!

ভয়ংকর সব মাদক সেবন করেন ইলন মাস্ক!

বিশ্বের শীর্ষ ধনী মার্কিন প্রযুক্তি ব্যবসায়ী ইলন মাস্ক বেশ নিয়ন্ত্রীত জীবন-যাপন করেন বলে শোনা গেলেও তাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন জানেন এমন অনেকেরই দাবি, তিনি এলএসডি, কোকেইন, এক্সট্যাসি ও ম্যাজিক মাশরুমের মতো ভয়াবহ সাইকেডেলিক ড্রাগ বা মাদক সেবন করেছেন এবং এখনও প্রায়ই করেন।

যেসব ড্রাগ মানুষকে হ্যালুসিনেশন বা হ্যালুসিনেশনের মতো বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক অভিজ্ঞতা এনে দেয় সেগুলোকে বলা হয় সাইকেডেলিক ড্রাগ।

বিশ্বের শ্রেষ্ঠ এই ধনী ব্যক্তির চারপাশের মানুষেরা আরও বলছেন, ইলন বিশ্বের যেখানেই যান সেখানেই বন্ধু-বান্ধব ও অতিথিদের নিয়ে আড্ডাবাজি ও মাদক সেবন করে নেশায় বুদ হয়ে থাকেন।

তবে এটা তিনি করেন অতি গোপনে। ‘প্রাইভেট পার্টি’তে মাদক সেবনের আগে বন্ধু-বান্ধব যারা তার সঙ্গ দেয়, প্রথমে তাদের ফোনগুলো জমা নিয়ে নেন ইলন।

মানসিক অবসাদ কাটাতে গাঁজা ও কেটামাইনের মতো ড্রাগ প্রকাশ্যে জনসমক্ষেই সেবন করেন বলে ইলন মাস্ক নিজেই বিভিন্ন সময় স্বীকার করেছেন। যেমন ২০১৮ সালে ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে দেয়া এক পার্টিতে কয়েকটি অ্যাসিডের ট্যাবলেট সেবন করেছিলেন তিনি।

এরপর পরের বছর মেক্সিকোয় এক পার্টিতে ম্যাজিক মাশরুম সেবন করেছিলেন। কখনও কখনও নিজের সহোদর ভাই কিম্বল মাস্ককে সাথে নিয়েও মাদক নেন ইলন। যেমন ২০২১ সালে মিয়ামির এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সেখানে ভাইকে নিয়ে কেটামাইন সেবনে মেতে উঠেছিলেন তিনি।

এনমকি নিজের কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গেও মাতেন মাদক সেবনে। যেমন সম্প্রতি টেসলার পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য ও বর্তমান স্পেসএক্সের কর্মকর্তা স্টিভ জারভেস্টনের সঙ্গে অবৈধ মাদক সেবন করেছেন।

গত বছর ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে উঠে আসে, সিলিকন ভ্যালির শীর্ষ ব্যক্তিদের মধ্যে ‘ড্রাগ সেবন’ একটি প্রচলিত ঘটনা। তবে মাস্কের মতো কেউ, যার রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স সরকারিভাবে শত শত কোটি ডলারের প্রকল্প কাজ করছে, তার এমন অবৈধ মাদক সেবনের বিষয়টি সত্যিই শঙ্কার বিষয়।

মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘সাবস্টেন্স অ্যাবিউজ অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ বলেছে, সরকারি চুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানিকে ‘ড্রাগ-ফ্রি ওয়ার্কপ্লেস’ নামের আইন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

২০১৮ সালে হঠাতই এক টুইট করে মাস্ক বলেছিলেন, কোম্পানিকে ব্যক্তিমালিকানাধীন করার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছেন তিনি। কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের শঙ্কা, ওই টুইট করার সময় মাস্ক সম্ভবত ‘নেশাগ্রস্থ’ ছিলেন।

ওই টুইটের পরপরই মাস্কের বিরুদ্ধে মামলা করে মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), যা শেষ পর্যন্ত গড়িয়েছে চার কোটি ডলার জরিমানা গোনা পর্যন্ত। এছাড়া টেসলার চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে দুইজন স্বাধীন পরিচালক নিয়োগ দিতেও বাধ্য হন মাস্ক।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status