|
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিয়ে যা জানালো আবহাওয়া অফিস
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ নিয়ে যা জানালো আবহাওয়া অফিস রোববার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ৪২০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৩০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (১২) এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বৃষ্টি হতে পারে চলতি সপ্তাহে। তবে তা স্থায়ী হবে সর্বোচ্চ দুই দিন। আবহাওয়া অফিস বলছে, আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার (৬ বা ৭ ডিসেম্বর) দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে এই বৃষ্টিপাত হতে পারে। শনিবার (২ ডিসেম্বর) আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ গণমাধ্যমকে জানান, বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপের ফলে আগামী ৬ বা ৭ ডিসেম্বর বৃষ্টি শুরু হতে পারে। তবে তা সারাদেশে নয়, দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে এই বৃষ্টি হতে পারে। তিনি বলেন, এই বৃষ্টি সর্বোচ্চ এক থেকে দুই দিন স্থায়ী হতে পারে। আর বৃষ্টির পর দেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (১২) আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুদ্ধ রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
