|
চলাচলের মূল রাস্তা কেটে ফেলায় জনদূর্ভোগে এলাকাবাসী
সুমন চৌধুরী
|
![]() চলাচলের মূল রাস্তা কেটে ফেলায় জনদূর্ভোগে এলাকাবাসী এই একমাত্র রাস্তা দিয়েই সকলের মসজিদে নামাজ পড়া,অফিসে যাওয়া, বাজার করা,বাচ্চাদের স্কুল, মাদ্রাসায় আসা যাওয়া চলতো যা এখন সবাই তা আর করতে পারছেন না,এক চরম ভোগান্তিতে ভুগছেন মানুষ এমন টাই বলেছেন এই এলাকার পুরনো বাসিন্দা গণমাধ্যম কর্মী পেয়ারুল ইসলাম তিনি আরো জানান আমাদের এলাকার সামাজিক সিদ্ধান্ত ও সিটি করপোরেশনের নিয়ম অনুযায়ী সবাই কমপক্ষে ৬ ফিট করে জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হয় আমিও তাই করেছি এখানকার সবাই সেভাবেই চলছি তাতে করে ১২ ফুটের সুন্দর রাস্তা সকলের উপকারে আসে এবং দেখতে ও ভালো লাগে। এই রাস্তাটি ও দীর্ঘ ২০/২৫ বছর যাবত আমরা ব্যবহার করে আসছি এই বিষয় নিয়ে গত০৩/০৪/২০২১ তারিখে সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও ৬৫ নং ওয়ার্ড এর জনপ্রিয় কাউন্সিলর মো: শামসুদ্দীন ভূইয়া সেন্টুর অফিসে এবং পরবর্তীতে সরেজমিনে উক্ত রাস্তা পরিদর্শন করে সেখানেই সকলের উপস্থিতি তে এটা ১২ ফুটের রাস্তা হিসাবে ঘোষণা করা হয় এরপর এখানকার সবাই মিলে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে রাস্তাটি নির্মান করি অথচ গত ২৮ তারিখে বেলা ১২ টায় সব পরিবারের পুরুষ মানুষেরা জীবিকার তাগিদে যখন অফিসে কাজে ব্যস্ত তখন এই ফাকে উক্ত রাস্তার জন্য ৬ ফুট জমি না দেয়ার পায়তারায় অন্যায় ভাবে ভেকু ব্যবহার করে রাস্তাটি কেটে ফেলে আতংক সৃষ্টি করেছে, এই কথাগুলো বলার সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মো: জুলহাস উদ্দিন, মো: মোবারক হোসেন,বদরুল হায়দার চৌধুরী, আবুল হাশেম সহ আরো অনেক এলাকাবাসী। এই রাস্তা কাটার বিষয় নিয়ে সিটি করপোরেশনের কোন অনুমতি বা অনুমোদন আছে কিনা প্রশ্ন করলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ৬৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: শামসুদ্দীন ভূইয়া সেন্টু বলেন, এটা তো দীর্ঘ দিনের পুরনো রাস্তা এবং এখানকার সব রাস্তাই যার যার প্লট থেকে ৬ ফুট করে ছেড়ে ১২ ফুটের রাস্তা তৈরি করা, এই বিষয় নিয়ে আমার এখানে আগে বসা হয়েছিলো এবং আমি ও রাস্তার সমাধানে গিয়েছি এটা একটি পরিকল্পিত ১২ ফুটের রাস্তা ইতিমধ্যে আমার কাছে রাস্তা কেটে ফেলেছে বলে অনেক মুরুব্বি এসেছিলেন আমি তৎক্ষনাৎ প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে বলে দিয়েছি এবং আমি নিজেও সেখানে যাবো ভেবেছি। এদিকে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম কে এই রাস্তা কেটে ফেলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি গতকাল সাইনবোর্ডে ডিউটিতে ছিলাম সেই সময় জানামাত্র সাথে সাথে জায়গাটি পরিদর্শন করি এবং এলাকাবাসীর লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেই। সাহিদুল হক জুয়েল চৌধুরী কে ফোন দিলেও তিনি কোন কল রিসিভ করেন নাই। স্থানীয় এলাকাবাসী ও যুবসমাজের একাধিক ব্যক্তি বলেন, এটা একটা অমানবিক কাজ হয়েছে । জনগণের চলাচলের এমন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা যেখানে অত্যাবশকীয় সেখানে এভাবে কেটে ফেলায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, সবমিলিয়ে এক থমথমে ভাব বিরাজ করছে।অতিসত্বর বিষয় টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের আমলে নেয়া জরুরী মনে করছেন অনেকেই। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
