|
বনানীর যে সড়কে বিদ্যুৎ যায় না কখনো
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() বনানীর যে সড়কে বিদ্যুৎ যায় না কখনো এজন্য এখানে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা। গতকাল দুপুরে সরজমিন ১৮ নম্বর ওই রোডে গিয়ে দেখা যায়, বনানী বিদ্যানিকেতন পার হয়ে চৌরাস্তার হাতের বামে ওই সড়ক। যানজট ও কোলাহলমুক্ত ওই রোডে মানুষের চলাচলও কম। ১৮ নম্বর রোডের ৩১ নম্বর বাড়ির নিরাপত্তা রক্ষী মার্শেল অগাস্টিন জানান, ওই বাসাতে একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি থাকেন। তৃতীয় তলায় তারা বসবাস করলেও বাকি তলা পারিবারিক নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। তিনি আরও জানান, এই রোডে বিদ্যুৎ যায় না। তাদের বাসাটি সেন্ট্রাল এসির আওতায়। বিদ্যুতেই চলে। জেনারেটর চালানোর প্রয়োজন পড়ে না। তিনি আরও জানান, এই এলাকায় কালেভদ্রে বিদ্যুৎ যায়। গেলে ১ থেকে ২ মিনিটের মধ্যে চলে আসে। তা আবার অনেক দিন পর পর। তিনি বলেন, সামনের বাসায় একজন ভিআইপি থাকেন। তার কারণে আমরা সুবিধা পাচ্ছি মনে হয়। একই সড়কের ৩২ নম্বর বাসার কেয়ারটেকার ইমাম হোসেন জানান, ‘তাদের এলাকায় বিদ্যুৎ যায় না। দিনে একবারও যায় না। তাদের জেনারেটর থাকলেও সেটি ব্যবহার হয় না।’ ৩৬ নম্বর বাড়ির কেয়ারটেকার সুমন জানান, এই ১৮ নম্বর রোডে কয়েকজন ভিআইপি লোকের বসবাস। এতে লোডশেডিং নেই বললেই চলে। ৭৬ নম্বর বাড়ির একজন বাসিন্দা জানান, তাদের এলাকায় লোডশেডিং নেই। ডেসকো’র কর্মকর্তারা মাঝে মাঝে এসে লাইন ঠিক করে দিয়ে যান। ১ ঘণ্টার জন্য বিদ্যুতের লাইন মেরামত করলে সেটিও আগের দিন মাইকিং করে এসে বলে যায়। একটি বাড়ির মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তাদের বাসায় কোনো আইপিএস নেই। গত বছর একটি আইপিএস কেনা হয়েছিল। শীত আসার পর সেটি নষ্ট হয়ে গেছে। এরপর আর কেনা হয়নি। কেন আইপিএস নেই প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিদ্যুৎ গেলেই তো আইপিএসের প্রয়োজন হয়। যেখানে বিদ্যুৎ যায় না সেখানে আইপিএসের প্রয়োজন কিসের। এ বিষয়ে ডেসকো’র গুলশান সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান গতকাল জানান, বনানী আমাদের অধীন এলাকা। ১৮ নম্বর রোডে কেন বিদ্যুৎ যায় না তা তিনি অবগত নন। তার অধীনে কর্মকর্তারা কীভাবে পরিকল্পনা করেছেন তিনি তা জানেন না বলে জানান।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
