|
বার্ন ইনস্টিটিউটে দগ্ধ কিশোরীকে রেখে গেলেন কে
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ছবি: প্রতীকী সোমবার বিকাল ৫টায় মৃত্যুর পর সেই কিশোরীর পরিচয় এবং তার দগ্ধ হওয়ার কারণ ও কে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করালেন- এসব প্রশ্নের উত্তর এখন খুঁজে বেড়াচ্ছে পুলিশ। ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন এসএম আইয়ুব হোসেন জানান, ১৩ বছরের মেয়েটিকে রোববার বিকালে ৮৫ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকাল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের নথিতে দেখা যায়, রোববার বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে মামুন নামে এক ব্যক্তি মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করান। তাতে শিশুটির বাবার নাম আবু বকর, গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কেরানীহাট লেখা আছে। মেয়েটির দগ্ধ হওয়ার ঘটনা পল্টন থানা এলাকায় ঘটেছে বলে ভর্তির সময় হাসপাতালের দায়িত্বরতদের ওই ব্যক্তি জানিয়েছিলেন। কিশোরীটির মৃত্যুর পর ভর্তির সময় দেওয়া মামুনের নম্বরে যোগাযোগ করে সেটি বন্ধ পেয়েছে পুলিশ ও হাসপাতালের কর্মীরা। পরে সংবাদ পেয়ে সোমবার রাতে পল্টন থানা পুলিশের এসআই রবীন্দ্রনাথ হাসপাতালে আসেন। তিনি জানান, এখনও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানতে পারেননি। তবে লোকমুখে শুনেছেন আলাউদ্দীন নামে এক ব্যক্তির বাসায় কাজ করতেন মেয়েটি। এ নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন তারা।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
