|
মাইক্রোফোন ধরলেন আইনমন্ত্রী, সাত্তার বললেন, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() মাইক্রোফোন ধরলেন আইনমন্ত্রী, সাত্তার বললেন, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের ডরমেটরিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেয়ার সময় উকিল আবদুস সাত্তার তার মুখ থেকে সামান্য দূরে মাইক্রোফোনটি ধরেন। ফলে তার বক্তব্য স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল না। অনেকদিন ধরেই অসুস্থতার ফলে তার শরীর কাঁপছিল। এ সময় পাশে বসা আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নিজ হাতে মাইক্রোফোনটি ধরে সাত্তারের মুখের কাছে নিয়ে তাকে সহযোগিতার চেষ্টা করেন। প্রায় ৩০ সেকেন্ড আবদুস সাত্তারের মাইক্রোফোনটি ধরে রাখেন আইনমন্ত্রী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য শেষে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন সাত্তার। আওয়ামী লীগের নেতাদের সামনে ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ শব্দ উচ্চারণ করায় বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকেই। এদিকে, আধুনিকায়ন করা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের নতুন অভিযাত্রার শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দুপুর ১২টার দিকে প্রেসক্লাবে যান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফিতা কেটে প্রেসক্লাবের উদ্বোধন করেন তিনি। পরে প্রেসক্লাব সংলগ্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের ডরমেটরিতে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া বলেন, ‘উপস্থিত প্রধান অতিথি আইনমন্ত্রীসহ এখানে যারা উপস্থিত হয়েছেন সকলকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আগেও গিয়েছি। আজকে যে অবস্থানে গিয়েছে, আগে তেমন ছিল না। আপনারা যত কিছুই বলেন, আমার দৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব আস্তে আস্তে অনেক উন্নত হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নত হবে। আমার শত সীমাবদ্ধতার মাঝেও যতটুকু পারি আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।’ ‘আপনাদের দাবি-দাওয়া দেখার মালিক প্রধান অতিথি। ওনার সঙ্গেও থাকব, ওনার পাশে থাকব। যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করব। এই বলে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ,’ যোগ করেন আবদুস সাত্তার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন প্রমুখ। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
