|
ফেসবুকে ভাইরাল ‘বল খেলাডা তওবা করে ছাড়’ গানের স্রষ্টা কে
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ফেসবুকে ভাইরাল ‘বল খেলাডা তওবা করে ছাড়’ গানের স্রষ্টা কে তবে ছত্তারের সঙ্গে একমঞ্চে গাইতে অস্বীকৃতি জানান শিল্পীরা, ছত্তারকে তাচ্ছিল্য করেন তাঁরা। সেদিনের স্মৃতি হাতড়ে রইস মনরম জানালেন, আপনাদের কাউকে গাইতে হবে না, মঞ্চে শুধু ছত্তার পাগলা গাইবেন। এরপর ছত্তার গান ধরেন, বাকি শিল্পীরাও ধীরপায়ে মঞ্চে ফিরতে থাকেন। সেদিন ছত্তারের সঙ্গেই গেয়েছিলেন তাঁরা। জীবদ্দশায় ছত্তার পাগলা স্টুডিওতে কোনো গানের রেকর্ডিংও করেননি, অ্যালবামও বের হয়নি। ‘তওবা কইরা বল খেলাডা ছাড়’ গানের যে ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়েছে, তা ধারণ করেছেন নির্মাতা ও লোকসংগীত সংগ্রাহক মোল্লা সাগর। তিনি প্রথম আলোকে জানান, ২০০৭ সালের দিকে তাঁরা ছত্তার পাগলার বাড়িতে গিয়ে কয়েকটি গানের ভিডিও ধারণ করেন, এর মধ্যে এটি একটি। পরে নিজের নির্মিত চল মন নাটক দেখতে যাইতে গানটি ব্যবহার করেছেন মোল্লা সাগর। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে লাইফ বাংলাদেশ নামে একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করেন মোল্লা সাগর; মূলত সেখান থেকেই এ গানের খণ্ডিতাংশ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মোল্লা সাগর বলেন, ‘মাঝেমধ্যেই গানের কিছু অংশ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তে দেখি, অনেকে পুরো গানটার কথা জানে না। পুরো গান শুনলে ছত্তার পাগলার গানের মুনশিয়ানা বোঝা যেত।’ জীবদ্দশায় কয়েক শ গান রচনা করেছেন ছত্তার পাগলা। নিজে খুব একটা লিখতে পারতেন না। তাঁর পরিবারের সদস্য কিংবা গানের অনুরাগীরা তাঁর কাছ থেকে শুনে শুনে গান লিখে দিতেন। তাঁর সব গান উদ্ধার করা না গেলেও শ খানেক গান সংরক্ষণ করা গেছে। ছত্তার পাগলা মৃত্যুর আগে নেত্রকোনার কবি ও সাংস্কৃতিক সংগঠক রইস মনরমের কাছে গানগুলো রেখে গেছেন। সংগ্রহে থাকা ছত্তার পাগলার এসব গান বই আকারে প্রকাশের পরিকল্পনার কথা জানালেন রইস মনরম। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
