রাজধানীর উত্তরায় ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে নিহত ৫ জনের মধ্যে ৪ জনের লাশ জামালপুরের গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহত রুবেল হোসেনের দাফন নিজ বাড়ি মেহেরপুরে হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার আগ পয়লা গ্রামে ঝরনা বেগম ও তার দুই শিশুসন্তান জাকারিয়া ও জান্নাতের দাফন সম্পন্ন হয়। এ ছাড়াও ইসলামপুর উপজেলার লাউদত্ত গ্রামে রাত সাড়ে ১১টার দিকে জানাজা শেষে কনের মা ফাহিমা বেগমকে নিজ বাড়ির আঙিনায় দাফন করা হয়।
ময়নাতদন্ত করার পর মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে কিছুটা জটিলতা দেখা দেয় হাসপাতালে। সেখানে দুর্ঘটনায় নিহত আইয়ুব আলী হোসেন রুবেলের মরদেহ নিতে একে একে হাজির হন তার স্ত্রী দাবিদাররা।
নিহত রুবেল সাতটি বিয়ে করেছেন বলে জানা গেছে। রুবেলের স্ত্রী দাবি করে গতকাল সোহরাওয়ার্দী মর্গে আসেন সালমা আক্তার পুতুল, নারগিস বেগম, রেহেনা বেগম, শাহিদা বেগম ও তাসলিমা আক্তার লতা। তাদের মধ্যে শাহিদার বাড়ি মানিকগঞ্জে। লতা গাজীপুরের। পুতুল মিরপুর ১০-এর। আর নারগিস ঢাকার দোহারের। এই পাঁচজনই মর্গের সামনে এসে মরদেহ দাবি করছেন। আরেকজনের নাম লিপি। তিনি মারা গেছেন। এ ছাড়া বাকি একজনের নাম জানা যায়নি।
এ ছাড়া আরো এক স্ত্রীর মেয়ে সন্তান রুবেলকে বাবা দাবি করেছেন। তিনিও হাসপাতালে উপস্থিত হয়েছেন।
তবে শেষ পর্যন্ত তাদের কাউকেই রুবেলের মরদেহ দেয়া হয়নি। সমঝোতার ভিত্তিতেই শেষপর্যন্ত মরদেহ বুঝে দেয়া হয় রুবেলের ভাই জিয়ার কাছে। মরদেহ এরপর পাঠানো হয় তার গ্রামের বাড়ি মেহেরপুরে। বাকিদের মরদেহ গেছে জামালপুরে।