গতকালই ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে লিখেছিলেন, ১২ দিন হয়েছে কোয়ারিন্টিন থাকার। আর যেন তর সইছে না কারিনা কাপুর খানের। যবে থেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, সেদিন থেকে একেবারেই চার দেওয়ালে আটকে ছিলেন নায়িকা। ক’দিন আগেই বড় ছেলে তৈমুর আলি খানের জন্মদিন ছিল। কিন্তু করোনার কারণে সেখানেও কোনো উদযাপন করতে পারেননি বেবো।
দুই ছেলে তৈমুর ও জেহ এবং স্বামী সাইফ আলি খানের থেকে একেবারেই দূরে ছিলেন তিনি। অবশেষে শুক্রবার, আক্রান্ত হওয়ার ১৩ দিনেই মিলল খুশির খবর।
শুক্রবার সকালেই খবর শোনা গিয়েছিল, কারিনার ওমিক্রন পরীক্ষার জন্য জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে এবং সেটি নেগেটিভ এসেছে। এবার তার থেকেও বড় খবর হল, করোনাভাইরাসকেই একেবারে জব্দ করে কোভিড মুক্ত হয়েছেন কারিনা। ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নিজের সুস্থতার খবর শেয়ার করেছেন নায়িকা।
বড়দিনের আগে কারিনার করোনামুক্ত হওয়ার ঘটনায় খুশি গোটা পাদৌতী থেকে কাপুর পরিবার। এবং অবশ্যই কারিনার অসংখ্য ভক্ত। কারিনা নিজেই যেমন করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন, তেমনই নিজেই শেয়ার করেছেন মুক্ত হওয়ার কথা।
এর আগে কারিনা সোশ্যাল মিডিয়ায় করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর শেয়ার করেছিলেন। সেই থেকে বাড়িতে একেবারেই চার দেওয়ালে বন্দি রয়েছেন তিনি। বড় ছেলে তৈমুরের জন্মদিন ছিল ২০ ডিসেম্বর। সেদিনও তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈমুরের প্রথম হাঁটার ভিডিও পোস্ট করে উদযাপন করেছিলেন। আপাতত তিনি দিন গুনছেন পরিবারের সঙ্গে মিলিত হওয়ার। ১৪ দিন পর সাধারণত কোয়ারিন্টিনের সময়কাল। তার আগে শুক্রবারই তার করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ চলে এসেছে। ফলে খুবই উচ্ছ্বসিত তিনি।