ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ভুয়া স্ত্রী পরিচয়ে মামলা, নারী কারাগারে
নতুুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Thursday, 4 March, 2021, 7:36 PM

ভুয়া স্ত্রী পরিচয়ে মামলা, নারী কারাগারে

ভুয়া স্ত্রী পরিচয়ে মামলা, নারী কারাগারে

মিথ্যা স্ত্রী পরিচয়ে ভুয়া মামলা করায় মোসা. সামসুন্নাহার (৩০) নামের এক নারীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার ৭ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসা. কামরুন্নাহার তাকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।

ওই ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আফরোজা ফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কারাগারে যাওয়া ওই নারী ময়মনসিংহ জেলা ইশ্বরগঞ্জ থানার বিলকাঠালিয়া গ্রামের চান মিয়ার মেয়ে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, কারাগারে যাওয়া সামসুন্নাহার ২০১৯ সালের ২৯ মে ময়মনসিংহ জেলার সদর থানার মধ্যদাগুনিয়া গ্রামের সামসুল হকের ছেলে আব্দুল হান্নানকে স্বামী দাবি করে যৌতুক আইনের ১১ (গ) ধারায় পিটিশন মামলা ৫৪/২০১৯ দায়ের করেন। মামলায় তিনি একই বছর ১৯ মে ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে মারধর এবং নেশার ঘোরে দুবার গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ করেন।

ওই মামলায় বিবাহের নিকাহনামা ছাড়াও মরধরের কারণে মামলায় ঢাকা মেডিকেলে ১ দিন ভর্তির কাগজও দাখিল করেন। ট্রাইব্যুনাল তৎকালীন বিচারক খাদেমুল ইসলাম মামলার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা অনুসন্ধানের জন্য সিএমএম আদালতকে বিচারবিভাগীয় তদন্তের আদেশ দেন। সিএমএম আদালতের মহানগর হাকিম মো. আদেশ ইমাম তদন্ত করে আব্দুল হান্নানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ট্রাইব্যুনালে তৎকালীন বিচারক খাদেমুল ইসলাম আসামি হান্নানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। ওই পরোয়ানায় ২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত জেলহাজতে থাকার পর জামিন পান।

আব্দুল হান্নান জানান, গ্রেপ্তার হওয়ার পর দেখতে পান যিনি বাদী হয়ে মামলা করেছেন, তাকে তিনি চেনেনও না। তারপর মামলায় ১ মাস জেল খেটে হাজিরা দিয়ে আসছিলেন। মামলার পর থেকে বাদী আদালতে না আসায় তিনি বাদীর যে ঠিকানা আছে, সেখানে খোঁজ নেন। জানতে পারেন, বাদী ঢাকায় থাকেন। পরে তার এক বড় ভাই র‌্যাব কর্মকর্তার সহায়তায় বাদীকে খুঁজে বের করেন। তখন বাদী স্বীকার করে যে, তাকে দিয়ে মিথ্যা মামলা করানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে আসেন। ট্রাইব্যুনালে যখন তিনি মামলার প্রত্যাহারের জবানবন্দিতে আসামি আব্দুল হান্নানকে চেনেন না এবং তিনি তার স্বামী নন মর্মে বলেন, তখন আদালত জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র সৃজন করে মিথ্যা মামলা করার জন্য তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বাদী সামসুন্নার বলেন, আলমগীর নামে এক আইনজীবীর বাসায় তিনি গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। তিনিই তাকে টাকার লোভ দেখিয়ে আব্দুল হান্নানের এলাকার জনৈক হাফিজুর রহমান ও কাঞ্চনের প্ররোচনায় অ্যাডভোকেট মুনমুন নাহার নামের এক আইনজীবীকে দিয়ে এ মিথ্যা মামলা করান।


সম্পাদনায়: এম আলমগীর    

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status