ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ঢাকার পর কলকাতায় ডেঙ্গুর ছোবল
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Friday, 8 November, 2019, 9:49 AM

ঢাকার পর কলকাতায় ডেঙ্গুর ছোবল

ঢাকার পর কলকাতায় ডেঙ্গুর ছোবল

রাজধানী ঢাকার পর এবার ভারতের কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় ভয়াবহ আকার নিয়েছে ডেঙ্গু। সরকারিভাবে প্রচার ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা সত্ত্বেও হাজার হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে।

জানা গেছে, কলকাতায় মশার উৎপাত ইদানিং বেড়েছে। সন্ধ্যা নামার আগেই বন্ধ রাখতে হচ্ছে দরজা-জানালা। হাজার হাজার মানুষ মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে জ্বর হচ্ছে না, কিন্তু ডেঙ্গু হানা দিচ্ছে অন্য উপসর্গের মাধ্যমে।

ডেঙ্গু ঠেকাতে একেবারে শুরু থেকে প্রচারে নেমেছিল কলকাত প্রশাসন। মশার প্রজনন স্থলসহ নানা বিষয়ে নগরবাসীকে সতর্ক করেছিল। তবে ডেঙ্গু ঠেকাতে আগাম সাবধানতা যে কোনো কাজে আসেনি, তার প্রমাণ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

জানুয়ারি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ১২ হাজার মানুষ। সেই সংখ্যাটা গত এক দেড় মাসে বেড়েছে ১১ হাজার। সব মিলিয়ে চলতি বছরে মোট ২৩ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত।

তবে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ে কলকাতা প্রশাসনের কেউ কেউ মানুষের অসচেতনতাকেই দায়ী করছেন। কলকাতার ৫৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জীবন সাহা বলেন, ‘মানুষ মোটেও সচেতন নয়। পানি জমে থাকছে, যত্রতত্র আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। অথচ আমরা মাইকিং করেছি, লিফলেট বিলি করেছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কী কী করতে হবে সেগুলো বলেছেন। তবু মানুষ সতর্ক হচ্ছে না। সতর্ক না হলে ডেঙ্গু কিছুতেই ঠেকানো যাবে না৷’

যদিও সাধারণ মানুষের বক্তব্য আলাদা। ভাটপাড়া পৌরসভার বাসিন্দা রজতেন্দ্র সরকার বলেন, ‘আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেললেও প্রতিদিন সাফ হয় না। নির্দিষ্ট সময় পর পর ব্লিচিং পাউডার বা ডিডিটি স্প্রে করা হয় না। নর্দমায় নোংরা জমে থাকায় জলাবদ্ধাতা সৃষ্টি হয়। এ জন্য তো নগরবাসী দায়ী নয়।’

আবার এমনও দেখা যাচ্ছে, খোদ হাসপাতালেই জন্মাচ্ছে ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা। এমনটিই দেখা গেছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। উত্তর হাওড়ার টিএল জয়সওয়াল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক পরিত্যক্ত ঘরে প্রচুর মশার লার্ভার পাওয়া যায়। বর্ষার পানি হেমন্তেও জমা হয়ে রয়েছে। অথচ এ হাসপাতালেই প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চারজন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিতে ভর্তি হচ্ছেন। হাসপাতালের সুপার সুখেন্দু বিশ্বাস মশার ভয়ে ফুল স্লিভ জামা আর ট্রাউজার পরে থাকছেন।

তিনি বলেন, ‘জেলা স্বাস্থ্য দফতরকে বিষয়টা জানালেও কোনো সুরাহা হয়নি।’

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status