|
গাছায় ৫ শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায় স্বিকার, মামলায় গ্রেপ্তার ২
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() গাছায় ৫ শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায় স্বিকার, মামলায় গ্রেপ্তার ২ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে গাছা থানা-পুলিশ। মামলার এজাহারে অভিযুক্তরা হলেন মো. অলিউল্লাহ ইসলাম (২৩), মোহাম্মদ মিজান (৩৮) ও মো. আব্দুল কুদ্দুস শেখ (৪৫)। তাঁদের মধ্যে অলিউল্লাহ ইসলাম ওই মাদরাসার শিক্ষক। এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি মাদরাসার আবাসিক বিভাগে থেকে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। গত ৭ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে তার মা তাকে মাদরাসায় রেখে যান। পরে ১৩ অক্টোবর দুপুরে শিশুটি বাসায় খেতে এলে গোসল করানোর সময় শরীরের একটি অংশে তীব্র ব্যথার কথা জানায়। ব্যথার কারণ জানতে চাইলে সে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তোলে। শিশুটির মায়ের অভিযোগ, ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু জানালে মারধরের ভয় দেখানো হয়েছিল তাকে। বিষয়টি জানার পর তিনি মাদরাসায় গিয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। তবে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে মাদরাসাসংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তি ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে কৌশলে মাদরাসা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, শিশুটির মায়ের পরিচিত এক নারীর ১০ বছর বয়সী ছেলেও ওই মাদরাসায় পড়াশোনা করত। ওই শিশুও একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিকবার যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। পরে মাদরাসার আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পারেন তাঁরা। ইতোমধ্যে এক ভিডিওতে অভিযুক্ত শিক্ষককে বলতে শোনা যায় ৫জন শিশুর সাথে তিনি এমন কর্মে লিপ্ত হন। গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানী বলেন, এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগগুলো মামলার এজাহারভিত্তিক। আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যাবে না। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
