ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ● ২১ অক্টোবর ২০২৬ ● ৫ কার্তিক ১৪৩৩
কেনা জমিতে মরদেহ সৎকার করে দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
মো. সবুজ ইসলাম, রাণীশংকৈল
প্রকাশ: Wednesday, 21 October, 2026, 8:59 PM

কেনা জমিতে মরদেহ সৎকার করে দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কেনা জমিতে মরদেহ সৎকার করে দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সি.এস খতিয়ানভূক্ত মালিকের ওয়ারিশের কাছ থেকে কেনা সম্পত্তিতে কোর্টের রায় অমান্য করে এমনকি মরদেহ সৎকার করে জমি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় হিন্দুদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির মালিক ও তাঁর স্বজনেরা প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তাঁদের দাবি, জমিটি শ্মশানের সম্পত্তি নয়,বরং ব্যক্তিমালিকানাধীন।এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের এক সংসদ সদস্য ও স্থানীয়  বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে এ কাজে সহযোগিতার অভিযোগও করেন তাঁরা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সম্মেলনকক্ষে জমির মালিক ও গ্রামবাসীর আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন মালিক বারকাত আলী।

লিখিত বক্তব্যে বারকাত আলী বলেন, উপজেলার উমরাডাঙ্গী পদমপুর এলাকার ৭৫ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে জমিটি কিনে তিনি ভোগদখল করে আসছেন। ২০১৩ সালে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে তিনি ও অন্য ওয়ারিশেরা ঠাকুরগাঁওয়ের আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা করেন।

তাঁর দাবি, ২০১৪ সালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়। সমঝোতা অনুযায়ী, ৭৫ শতক জমির মধ্যে ১৫ শতক শ্মশানের জন্য, ২৫ শতক দ্বিতীয় পক্ষের ভোগদখলের জন্য এবং বাকি ৩৫ শতক তাঁদের দখলে থাকার কথা ছিল।কিন্তু এতে শর্ত ছিলো জমিতে স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ ও জমির আকৃতি পরিবর্তন না করার। এবং আপসনামায় আদালতের মামলার চূড়ান্ত রায় যার পক্ষে যাবে, তাঁকে জমি ছেড়ে দেওয়ার শর্তও ছিল।

বারকাত আলী আরও বলেন, ২০১৮ সালে মামলায় ডিক্রি পাওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে ৩৭ শতক জমির দখল পেলেও স্থাপনা থাকায় বাকি জমি বুঝে পাননি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর স্থাপনার ভিত্তি সরিয়ে ওই জমির দখল নেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, চলতি বছরের জুলাইয়ে জমির দখল নিয়ে আবারও বিরোধ দেখা দেয়। এ সময় তাঁর ছেলে মোকসেদুল ও ভাতিজা সাহেবের ওপর হামলা করে স্থানীয় হিন্দুরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে জমিতে না যাওয়ার নির্দেশ দেয় বলে জানান তিনি। এর ফলে উক্ত জমিতে চাষাবাদ না করার কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে জানান ভুক্তভোগী মালিকরা।

সংবাদ সম্মেলনে মরিয়ম, সুবিরুন, তারাফুন ও লতিফুনসহ স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status