|
গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, চার প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি জরিমানা
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, চার প্রতিষ্ঠানে সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি জরিমানা মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জেলা এনএসআই কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে মোট ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১৫ দিনের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সালেহুর রহমান এসব অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান সূত্রে জানা যায়, কাশিমপুর থানার ২ নম্বর ওয়ার্ডের লস্করচালা এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে পামওয়েল তেল বোতলজাত করে ‘গাজী পিউর সয়াবিন তেল’ নামে বাজারজাত করার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ সময় প্যাকেটজাত নিবন্ধনসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮-এর ২৪ ও ২৯ ধারায় মেহেদী হাসানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকার দক্ষিণ পানিশাইলের ইমাম ফুটওয়্যার লিমিটেড কারখানায় অভিযান চালিয়ে এপেক্স ও বাটা ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে জুতার সোল তৈরির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়। কারখানাটিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ১২ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে মো. সজাগ আহমেদকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অনাদায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয় বলে অভিযান-সংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া কাশিমপুর এলাকার পপুলার বেকারিতে নোংরা পরিবেশে অনুমোদন ছাড়াই বেকারিজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া অন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না বলে জানানো হয়। বিএসটিআইয়ের নিবন্ধন ছাড়াই পণ্যে সংস্থাটির লোগো ব্যবহারের অভিযোগে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ২৭ ধারা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় পৃথকভাবে ৩০ হাজার টাকা করে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি কারখানার পরিবেশ উন্নয়ন ও বিএসটিআইয়ের নিবন্ধন নেওয়ার জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কাশিমপুর থানার সারদাগঞ্জ এলাকার খান বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদন ছাড়া বেকারিজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ ঘটনায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন আইন, ২০১৮-এর ৩১ ধারায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মো. কফিল উদ্দিনকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জেলা এনএসআই কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে ভেজাল ও অননুমোদিত পণ্য উৎপাদন, ব্র্যান্ডের নামের অপব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিবন্ধন ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনার বিষয়গুলো সামনে আসে। জনস্বাস্থ্য, ভোক্তা অধিকার এবং পণ্যের মান নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
