|
নরেন্দ্র মোদী-শেখ হাসিনা বৈঠকের নিশ্চয়তা দিলো না ভারত
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() নরেন্দ্র মোদী-শেখ হাসিনা বৈঠকের নিশ্চয়তা দিলো না ভারত দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে কোনও বৈঠক হচ্ছে কি না, এ ব্যাপারে বিবিসি বাংলার এক নির্দিষ্ট প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় মোহন কোয়াটরা বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিকস সামিটের অবকাশে কোন কোন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন তার কিছুই এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। হলেই সেটা আপনারা জানতে পারবেন।” ব্রিকসের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নতুন সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে ভারত সমর্থন করবে কি না, এই প্রশ্নের জবাবও মি কোয়াটরা এড়িয়ে গিয়েছেন। পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আর একটি সূত্র বিবিসি বাংলাকে ইঙ্গিত দিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরসূচী এতটাই ঠাসা যে তাতে খুব বেশি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের জায়গা করার সুযোগই হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, “মঙ্গলবার বিকেলে জোহানেসবার্গে পৌঁছনোর পর প্রধানমন্ত্রী মোদি পুরো আড়াই দিন সেখানে থাকবেন। তারপরও সামিটের ফাঁকে তাঁর আলাদা এই ‘বাইল্যাটারাল’গুলো অ্যকোমোডেট করতে আমরা হিমশিম খেয়ে যাচ্ছি।” ভারতীয় কর্মকর্তারা সেই সঙ্গেই আভাস দিচ্ছেন, জোহানেসবার্গে একান্ত সম্ভব না-হলে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে যখন জি-টোয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে শেখ হাসিনা দিল্লিতে আসবেন তখন দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আলাদা বৈঠকের সম্ভাবনা থাকবে। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে গঠিত অর্থনৈতিক জোট ‘ব্রিকসে’ বাংলাদেশ যে নতুন সদস্য হিসেবে যোগ দিতে ইচ্ছুক, সে কথা ইতিমধ্যেই তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে। কিন্তু ব্রিকসের সম্প্রসারণ নিয়ে অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ভারতের অবস্থান ঠিক কী, সেটা নিয়ে আস্তিনের সব তাস তারা এখনো বের করেনি। এমন কী কোন কোন দেশকে তারা সমর্থন করবে সেটাও এখনও কিছু জানায়নি। এই পটভূমিতে জোহানেসবার্গে মোদি-হাসিনা বৈঠক হলে সেটা বাংলাদেশের প্রার্থিতার সমর্থনে অবশ্যই ভারতের পাশে থাকার বার্তা দেবে। কিন্তু কোনও কারণে সেই বৈঠক সম্ভব না-হলে সেটাকে ঢাকার জন্য একটা ‘কূটনৈতিক হোঁচট’ হিসেবে দেখা হতে পারে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
