|
দাউদ ইব্রাহিমের ডেরায় নতুন লেডি ডন ইকরা কুরেশি!
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
দাউদ ইব্রাহিমের ডেরায় নতুন লেডি ডন ইকরা কুরেশি! তার নাম ইকরা কুরেশি। মুম্বাইয়ের যে এলাকা থেকে অপরাধ জগতের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করা হয়, ইকরা সেই এলাকাতেই মাদকের ব্যবসা করে নিজের প্রাধান্য বিস্তার করেছেন। ওই এলাকার ‘ড্রাগ কুইন’ বলা হয় ইকরাকে। পুলিশের চোখে ধুলা দেওয়ার জন্য একটা ফোন ২-৪ দিনের বেশি ব্যবহার করেন না ইকরা। মাদকের চুক্তি হয়ে যাওয়ার পরই সেই ফোন বাতিল করে দেন। নতুন কোনও চুক্তির জন্য আবার নতুন ফোন এবং নম্বর ব্যবহার করেন। ফলে মুম্বাইয়ের মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থাকেও (এনসিবি) ইকরার গতিবিধি নজর রাখতে সমস্যায় পড়তে হয়। ইকরার নাম প্রকাশ্যে আসে ২০২১ সালের মার্চে। এনসিবি গোপন সূত্রে খবর পায় ডোংরি এলাকায় হাজিম কসমে এক মাদক পাচারকারী রয়েছে। পুলিশ অভিযান চালাতেই ৫২ গ্রাম মাদক-সহ ধরা পড়েন ইকরা। গ্রেফতার হওয়ার আগে পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ ছিল না পুলিশের খাতায়। চরস, এমডি এবং এলএসডি’র বড় সরবরাহকারী ইকরা। ডোংরি এলাকায় তাকে ‘লেডি ডন’ এবং ‘ড্রাগ কুইন’ও বলা হয়। ইকরার গতিবিধির ওপর এনসিবি নজর রাখত। ইকরাও এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের গতিবিধির ওপর নজর রাখতেন। তিনি কখন অফিস যাচ্ছেন। কোথায় যাচ্ছেন, কতজন লোক তার সঙ্গে রয়েছেন, কাদের সঙ্গে দেখা করছেন— সব ছিল ইকরার নখদর্পণে। এমনকি এনসিবি দফতরেও ছদ্মবেশে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। সোনু পাঠান এবং এজাজ সাইকো নামে দুই মাদক পাচারকারীকে এনসিবি গ্রেফতার করার পরই ইকরার নাম তদন্তকারীদের হাতে আসে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
