|
ঢাকায় পেপ্যাল প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইসিটি বিভাগ ও ফ্রিল্যান্সারদের বৈঠক
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ঢাকায় পেপ্যাল প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আইসিটি বিভাগ ও ফ্রিল্যান্সারদের বৈঠক বৈঠকটির সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। পেপ্যালের পক্ষ থেকে সিঙ্গাপুরভিত্তিক চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। নিরাপত্তা ও নীতিগত কারণে তাঁদের ছবি ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ফ্রিল্যান্স কমিউনিটির ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্স বাজারের সম্ভাবনা, আন্তর্জাতিক লেনদেনে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা এবং পেপ্যাল চালুর মাধ্যমে উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সাররা কী ধরনের সুবিধা পাবেন তা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়। কমিউনিটির পক্ষে কাজী মামুন এক বিস্তারিত উপস্থাপনা দেন। তিনি মার্কেটপ্লেসের বাইরে এজেন্সি ব্যবসা, ই-কমার্স, এফবিএ-এফবিএম, ড্রপ শিপিং, স্যাস, প্লাগ-ইন ডেভেলপমেন্ট, রিমোট জব, অ্যাডসেন্স ও অ্যাফিলিয়েটসহ তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতের আয়ের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গ্রহণে পেওনিয়ার, ওয়াইজ বা স্ট্রাইপ ব্যবহারের সুবিধা–অসুবিধা, উচ্চ চার্জ, মুদ্রা বিনিময় হারসংক্রান্ত জটিলতা এবং সময়ক্ষেপণ বিষয়ে ফ্রিল্যান্সাররা সরাসরি পেপ্যাল প্রতিনিধিদের কাছে অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বৈঠকে অংশ নেওয়া উদ্যোক্তা মাসুম বিল্লাহ জানান, পেপ্যাল প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বাজার সম্পর্কে যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত, নীতিগত ও ব্যবসায়িক বিষয়ে প্রশ্ন করে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করেছেন। লুৎফে সিদ্দিকী তাঁর ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আলোচনাটি আরও ফলপ্রসূ করে তোলেন। জানা গেছে, পেপ্যাল প্রতিনিধিরা আগামী দুই থেকে তিন দিন বাংলাদেশে থাকবেন। এ সময় তাঁরা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডার চেয়ারম্যান এবং একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারকের সঙ্গে আলোচনা শেষে তাঁরা নিজেদের মধ্যে পর্যালোচনা করে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেবেন। ফ্রিল্যান্সার কাজী মামুন বলেন, বৈঠকের পরিবেশ ও আইসিটি বিভাগের আন্তরিকতা ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে। পেপ্যাল এ দেশে কার্যক্রম চালু করলে ভবিষ্যতে স্ট্রাইপসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ের পথও সুগম হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন—বৈদেশিক মুদ্রা নীতিমালার কিছু জটিলতা দূর হলে এবং পেপ্যাল ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলে এটি হবে বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
