ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ৬ মাঘ ১৪৩২
বরগুনায় ধরা পড়ল ডাক্তারের ছদ্মবেশী ফেরিওয়ালা
তামান্না জেনিফার, বরগুনা
প্রকাশ: Sunday, 29 June, 2025, 7:15 PM
সর্বশেষ আপডেট: Sunday, 29 June, 2025, 7:18 PM

বরগুনায় ধরা পড়ল  ডাক্তারের ছদ্মবেশী ফেরিওয়ালা

বরগুনায় ধরা পড়ল ডাক্তারের ছদ্মবেশী ফেরিওয়ালা

একজন প্রকৃত চিকিৎসক হওয়ার জন্য যেমন লাগে দীর্ঘ প্রশিক্ষণ, নিবন্ধন এবং মানবিক দায়বদ্ধতা, সেখানে স্রেফ নামের আগে ‘ডাক্তার’ বসিয়ে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা এখন এক শ্রেণির মানুষের রুটিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এই চিত্রই আবারও ফুটে উঠল বরগুনা শহরের বুকে।

বাংলাদেশে বিএমডিসি অনুমোদন ছাড়া চিকিৎসা সেবা প্রদান করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বিএমডিসির অনুমোদন ব্যতীত কেউ চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিত হলে তাকে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

তবুও নানা রকম মোড়কে, ক্লিনিক বা ফার্মেসির আড়ালে কিংবা সাইনবোর্ডে ডাক্তারি ডিগ্রি ঝুলিয়ে বহু মানুষ বছরের পর বছর ধরে এই প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। শুধু টাকার জন্য নয়, এসব ‘ছদ্ম চিকিৎসা’ অনেক সময় মানুষের জীবনকেও ঝুঁকিতে ফেলে।

ভুয়া প্রেসক্রিপশন, ভুল ডায়াগনসিস, অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা এসব কিছুই একেকটি পরিবারকে শোক ও বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে।

শনিবার (২৭ জুন) রাতে বরগুনা শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত এক বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযানে ধরা পড়ে চার ভুয়া চিকিৎসক। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. শরিয়ত উল্লাহ্, সঙ্গে ছিল গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।

ধরা পড়া ব্যক্তিরা হলেন: বিধান চন্দ্র সরকার,ইদ্রিস আলম,জাহাঙ্গীর হোসেন এবং জহিরুল ইসলাম সৌরভ।

বরগুনায় ধরা পড়ল  ডাক্তারের ছদ্মবেশী ফেরিওয়ালা

বরগুনায় ধরা পড়ল ডাক্তারের ছদ্মবেশী ফেরিওয়ালা

তাদের মধ্যে প্রথম তিনজন দোষ স্বীকার করলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে মোট ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে জহিরুল ইসলাম সৌরভ দোষ অস্বীকার করায় তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইন ২০১০-এর ২৯ ধারা অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভুয়া চিকিৎসক আটকে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) সনদপ্রাপ্ত না হয়েও চিকিৎসা করায় চারজনকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে বরগুনা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইউনুস আলী ফরাজী বলেন, বরগুনা পৌর শহরে ভুয়া চিকিৎসক সেজে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছিলেন। এমন অভিযোগে চারজনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হয়। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. শরিয়ত উল্লাহ্ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় তিনজন দোষ স্বীকার করলে তাদের ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status