|
ভবদহের নদী খালের কচুরিপানা অপসারণের দাবিতে কমিটির স্মারকলিপি প্রদান
প্রিয়ব্রত ধর,অভয়নগর
|
|
ভবদহের নদী খালের কচুরিপানা অপসারণের দাবিতে কমিটির স্মারকলিপি প্রদান গতকাল মঙ্গলবার বিকাল চারটার অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়দেব চক্রবর্তীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় ভবদহ জনপদের ব্যাপক এলাকা জলাবদ্ধ। বর্তমানে বোরো মৌসুম চলছে। জলাবদ্ধতার ১২০ দিন পার হলেও বিলগুলো এখনও পানির তলে। এলাকার নদী, খালগুলো কচুরিপানায় ভরে আছে। মাছ মারার জন্য নদী, খালের মধ্যে রয়েছে অসংখ্যা নেট, পাটা কচুরিপানা ও অবৈধ স্থাপনা যা পানি নিষ্কাশনে বিশেষ অন্তরায়। যথাসময়ে বোরো আবাদের লক্ষ্যে বিলের পানি নিষ্কাশনে মুক্তেশ্বরী—টেকা নদীর কচুরিপানা, পাটা ও নেটসহ অন্যান্য বাঁধা অপসারণ জরুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব চৈতন্য কুমার পাল, শিবপদ বিশ্বাস, সুন্দলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিকাশ মল্লিক, সাধন বিশ্বাস, কানু বিশ্বাস, মিরণ তরফদার, ইলিয়াস হোসেন, ইকবাল হোসেন, সোহেল রানা, ওয়ালিউজ্জামান লিটন, সঞ্জয় বৈরাগী, অচিন্ত মল্লিক, সমীর মন্ডল, সোহরাব হোসেন, মামুন সরদার, প্রদীপ মন্ডল, ইমরান হোসেন সহ প্রমুখ। জানতে চাইলে ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক রণজিৎ বাওয়ালী বলেন, ভবদহ এলাকায় বিলে বর্তমানে টিআরএম না থাকায় বিল, খাল এমনকি নদীর পাড় পানির তলে। ফলে ঠিক এইমুহূর্তে সমগ্র এলাকার বিল, নদী ও খালের ভিতরের নেট,পাটা অপসারণের দরকার নেই কারণ অনেকেই মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছে। বাস্তবতা তৈরী হলে সমগ্র এলাকার নেট, পাট ও শেওলা অপসারণের ডাক দেব। তবে মুক্তেশ্বরী—টেকা নদীর অভয়নগর অংশের গো—ঘাটা হতে ভবানিপুর ২১ ভেন্ট পর্যন্ত এবং বিল ঝিকড়ার পূর্ব পাশ থেকে আমডাঙা খালের যশোর—খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত কচুরিপানা, পাটা ও নেটসহ অবৈধস্থাপনা দ্রুত অপসারণ করলে নদী দিয়ে পানি দ্রুত অপসারণ হবে। এতে কৃষক বীজতলা তৈরী এবং বোরো আবাদে বেশ সুফল পাবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
ময়মনসিংহে চাঁদা না পেয়ে ড্রেজার লুট: দুই শতাধিক দুর্বৃত্তের ‘ফিল্মি স্টাইলে’ হামলা
ড্যাজেল মোবাইল শপের মালিক দিদারের বিরুদ্ধে অর্থপাচার–চোরাচালান অনুসন্ধানে দুদক
ইতালির যাওয়ার পথে নিখোঁজ মাদারীপুরের যুবক, অবশেষে বাড়িতে এলো নৌকাডুবির খবর
আপোসহীন মমতাময়ী মা বেগম জিয়ার সুস্থতা দেশের জন্য বড় প্রয়োজন: এমপি প্রার্থী বাপ্পী
