ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
ভবদহের নদী খালের কচুরিপানা অপসারণের দাবিতে কমিটির স্মারকলিপি প্রদান
প্রিয়ব্রত ধর,অভয়নগর
প্রকাশ: Tuesday, 10 December, 2024, 7:13 PM

ভবদহের নদী খালের কচুরিপানা অপসারণের দাবিতে কমিটির স্মারকলিপি প্রদান

ভবদহের নদী খালের কচুরিপানা অপসারণের দাবিতে কমিটির স্মারকলিপি প্রদান

যশোরের অভয়নগরের মুক্তেশ্বরী—টেকা নদী ও আমডাঙা খালের কচুরিপানা, পাটা ও নেট অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছে ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ।  
গতকাল মঙ্গলবার বিকাল চারটার অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়দেব চক্রবর্তীর বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় ভবদহ জনপদের ব্যাপক এলাকা জলাবদ্ধ। বর্তমানে বোরো মৌসুম চলছে। জলাবদ্ধতার ১২০ দিন পার হলেও বিলগুলো এখনও পানির তলে। এলাকার নদী, খালগুলো কচুরিপানায় ভরে আছে। মাছ মারার জন্য নদী, খালের মধ্যে রয়েছে অসংখ্যা নেট, পাটা কচুরিপানা ও অবৈধ স্থাপনা যা পানি নিষ্কাশনে বিশেষ অন্তরায়। যথাসময়ে বোরো আবাদের লক্ষ্যে বিলের পানি নিষ্কাশনে মুক্তেশ্বরী—টেকা নদীর কচুরিপানা, পাটা ও নেটসহ অন্যান্য বাঁধা অপসারণ জরুরী।

ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক রণজিৎ বাওয়ালী স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে আরও বলা এইমুহূর্তে অন্তত মুক্তেশ্বরী টেকা নদীর অভয়নগর অংশের গো—ঘাটা হতে ভবানিপুর ২১ ভেন্ট পর্যন্ত  এবং বিল ঝিকড়ার পূর্ব পাশ থেকে আমডাঙা খালের যশোর—খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত কচুরিপানা, পাটা ও নেটসহ অবৈধস্থাপনা দ্রুত অপসারণ করলে নদী দিয়ে পানি দ্রুত অপসারণ  হবে, যাতে কৃষক বীজতলা তৈরী এবং বোরো আবাদে বেশ সুফল পায়

 এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব চৈতন্য কুমার পাল, শিবপদ বিশ্বাস, সুন্দলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিকাশ মল্লিক, সাধন বিশ্বাস, কানু বিশ্বাস, মিরণ তরফদার, ইলিয়াস হোসেন, ইকবাল হোসেন, সোহেল রানা, ওয়ালিউজ্জামান লিটন, সঞ্জয় বৈরাগী, অচিন্ত মল্লিক, সমীর মন্ডল, সোহরাব হোসেন, মামুন সরদার, প্রদীপ মন্ডল, ইমরান হোসেন  সহ প্রমুখ।
জানতে চাইলে ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক রণজিৎ বাওয়ালী বলেন, ভবদহ এলাকায় বিলে বর্তমানে টিআরএম না থাকায় বিল, খাল এমনকি নদীর পাড় পানির তলে। ফলে ঠিক এইমুহূর্তে সমগ্র এলাকার বিল, নদী ও খালের ভিতরের নেট,পাটা অপসারণের দরকার নেই কারণ অনেকেই মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছে। বাস্তবতা তৈরী হলে সমগ্র এলাকার নেট, পাট ও শেওলা অপসারণের ডাক দেব। তবে মুক্তেশ্বরী—টেকা নদীর অভয়নগর অংশের গো—ঘাটা হতে ভবানিপুর ২১ ভেন্ট পর্যন্ত  এবং বিল ঝিকড়ার পূর্ব পাশ থেকে আমডাঙা খালের যশোর—খুলনা মহাসড়ক পর্যন্ত কচুরিপানা, পাটা ও নেটসহ অবৈধস্থাপনা দ্রুত অপসারণ করলে নদী দিয়ে পানি দ্রুত অপসারণ হবে। এতে কৃষক বীজতলা তৈরী এবং বোরো আবাদে বেশ সুফল পাবে।
  


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status