ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ ২ আষাঢ় ১৪৩১
টেকসই স্মার্ট পর্যটন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Saturday, 8 June, 2024, 6:09 PM

টেকসই স্মার্ট পর্যটন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

টেকসই স্মার্ট পর্যটন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এবং স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ডিপার্টমেন্ট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মার্কেটিং ডিসিপ্লিন এর যৌথ আয়োজনে 'টেকসই স্মার্ট পর্যটন গন্তব্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত' শীর্ষক একটি আলোচনা সভা স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ৮ জুন, বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার এর সভাপতিত্বে এবং স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ডিপার্টমেন্ট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সহকারী অধ্যাপক মোঃ রবিউল কবির এর সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এর সম্মানিত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর সম্মানিত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান। আলোচনা অনুষ্ঠানটিতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব জাভেদ আহমেদ, শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর ডিপার্টমেন্ট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান সামিনা হক এবং সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মাহমুদা পারভীন।  

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এর সম্মানিত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, পর্যটন হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল, অতি বৈচিত্র্যময় এবং শ্রমঘন একটি শিল্প, যা দেশের বিভিন্ন সেক্টরে হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে। বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় পর্যটন শিল্পের সংযোজন শুধু আর্থিক সফলতা বয়ে আনবে না সেই সঙ্গে প্রান্তিক পর্যায়ে এর সুফল ছড়িয়ে দেবে স্থানীয়দের অংশগ্রহণের মাধ্যমে। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে পর্যটন শিল্প বাংলাদেশের জন্য হয়ে উঠতে পারে অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের বলেন, এডভেঞ্চার ট্যুরিজম একটা বিশাল চ্যালেঞ্জ, ট্যুরিজম বিহেভিয়ার এর জায়গায় কাজ করতে হবে। পাবলিক ও প্রাইভেট পার্টনারশিপ এর মাধ্যমে একটি টেকসই টুরিজম নিশ্চিত করা যেতে পারে।

সভাপতির বক্তব্যে ক্যাপস এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থ রক্ষা পায় এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য (ইকোলজিক্যাল ব্যালান্স) ও মানুষের আর্থসামাজিক সাম্য বজায় থাকে তাই টেকসই উন্নয়ন। বাংলাদেশে পর্যটনের যাত্রা অনেক আগে শুরু হলেও নানা প্রতিকূল অবস্থা পেরিয়ে আজকে আশার আলো ছড়াচ্ছে। অপার সম্ভাবনাময় আমাদের এই বাংলাদেশ হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ পর্যটন এলাকা, যা শুধু অর্থনৈতিক চাকাকে সচল করবে না, পাশাপাশি বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমর্যাদাকে তুলে ধরবে।

বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাভেদ আহমেদ মূলপ্রবন্ধে বলেন, অভ্যন্তরীণ বা লোকাল ট্যুরিজম এর বাজারটা সুন্দর করতে হবে, তাতে সময় দিতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশে টেকসই ট্যুরিজম আশা করতে পারবো। 

এটুআই-এর উপসচিব এবং জাতীয় পোর্টাল বাস্তবায়ন বিশেষজ্ঞ মোঃ শামসুজ্জামান বলেন, আমাদেরকে একটি প্রজেক্টে স্টেকহোল্ডারদেরকে নির্ধারণ করতে হবে এবং তাদের সংযুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। স্টেকহোল্ডারদের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু এটা আমাদের বুঝতে হবে। 

শাহজালাল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মোঃ তারিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের ল্যান্ডস্কেপ এ অনেক পরিবর্তন আসবে যদি আমরা গ্রামকে শহর বানাই। আমাদের নিজেদের ল্যান্ডস্কেপ এর খেয়াল রাখতে হবে। পরিবর্তন কতখানি করবো এটা আমাদের আগে থেকে ভেবে নিতে হবে।

সেইভ আওয়ার সি এর সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, আমাদের কোন হেরিটেজ নেই আছে ন্যাচারাল বিউটি। কোস্টাল এলাকায় ম্যানগ্রোভ নিশ্চিত করতে হবে এবং সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র ধরে রাখতে পারলেই টেকসই ট্যুরিজম হবে। বিশেষ করে আন্ডারওয়াটার ট্যুরিজম চালু করতে হবে।

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মাহমুদা পারভীন সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আলোচনা সভাটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

উক্ত আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ড এর এডিশনাল ডাইরেক্টর মোঃ বোরহান উদ্দিন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর মৎস্য ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারি অধ্যাপক আফসানা পারভিন শহীদ, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর কম্পিউটার সাইন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুদ্দীন মো. নুর, ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্ট বাংলাদেশ এর মিডিয়া ও জার্নালিজম বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. হাবিব মোহাম্মদ আলী, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ হুমায়ুন কবির, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এর সায়েন্টিফিক অফিসার ইঞ্জি. মো. নাছির আহমেদ পাটোয়ারী, হেলদি লিভিং বিডি এর চিফ অপারেটিং অফিসার জনাব আহসান রনি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সম্পাদক জনাব মিহির বিশ্বাস, বেঙ্গল লজিস্টিকস এর ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট জনাব রফিকুল ইসলাম নাসিম এবং বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এর সায়েন্টিফিক অফিসার ইঞ্জি. মারজিয়াত রহমান।

� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: [email protected]
কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status