ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ ২ আষাঢ় ১৪৩১
ইজাজকে হত্যার পর কোথায় লুকিয়ে ছিলেন ফারাবী?
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Saturday, 8 June, 2024, 4:31 PM

ইজাজকে হত্যার পর কোথায় লুকিয়ে ছিলেন ফারাবী?

ইজাজকে হত্যার পর কোথায় লুকিয়ে ছিলেন ফারাবী?

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলোচিত কলেজশিক্ষার্থী আশরাফুর রহমান ইজাজ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা হাসান আল ফারাবী জয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৭ জুন) ভোরে নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া থানাধীন কতুবপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ডিবি পুলিশের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার ভোরে হাসান আল ফারাবীকে নেত্রকোনার আটপাড়া থানাধীন কতুবপুর গ্রামে চাচাত বোনের বান্ধবীর বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রটি শুক্রবার (৭ জুন) রাত সোয়া ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভাটপাড়া এলাকার একটি সেতুর পাশের ঝোঁপ থেকে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার (৮ জুন) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াৎ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘাতক হাসান আল ফারাবী জয় ও জালাল হোসেন ভূঁইয়া খোকা খুবই ঘনিষ্ঠ। হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আশরাফুর রহমান ইজাজও তাদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। তারা একইপাড়ার বাসিন্দা। খোকা-জয়ের কিছু সিদ্ধান্তের সঙ্গে ইজাজ ও তাদের বন্ধুরা একমত হতে পারেন নি। তাদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত হওয়ার কারণেই ইজাজের সঙ্গে খোকা ও জয়ের বিরোধ বাড়তে থাকে। এরপর থেকেই ইজাজ এবং তার সঙ্গে চলাফেরা করা কয়েকজন বন্ধুকে চরম শিক্ষা দেয়ার পরিকল্পনা করেন খোকা ও জয়।

এর অংশ হিসেবে ঘটনার দিন ৫ জুন বিকেলে খোকা অস্ত্রটি সংগ্রহ করে জয়কে দেয়। তারা ইজাজকে হত্যা করার সুযোগ খুঁজতে থাকে। পরে ওইদিন উপজেলা পরিষদের নির্বাচন শেষে সন্ধ্যায় কলেজপাড়া এলাকায় আনারস প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে বিজয়োল্লাস করতে থাকেন। এ সময় সেখান ২০-২৫ জন লোক জড়ো হয়। সেখানে খোকা, জয় এবং ইজাজও ছিল। ওই সময় খোকার সঙ্গে কোনো একটা বিষয় নিয়ে ইজাজের তর্কবিতর্ক হয়। এর মাঝেই, জয় তার কোমর থেকে পিস্তল বের করে প্রকাশ্যে সবার সামনে ইজাজকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইজাজকে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘এটি কোনো রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয়। এটি এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা এর পেছনে যারা আছে, তাদের প্রত্যেককে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসব।’

� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: [email protected]
কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status