শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, 2০২1
নতুন সময় ডেস্ক
Published : Tuesday, 14 September, 2021 at 10:33 AM, Update: 14.09.2021 1:39:43 PM
বিয়ের আগে যে ৪ মেডিক্যাল টেস্ট করানো জরুরি

বিয়ের আগে যে ৪ মেডিক্যাল টেস্ট করানো জরুরি

বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর কয়েকটি মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো অ’তি আবশ্যক। এখনকার সমাজ অনেক এগিয়ে। বাবা-মায়ের প্রজন্ম এর মাহাত্ম্য না বুঝলেও, আজকালকার আধুনিক ছে’লেমে’য়েরা কিন্তু এর গুরুত্ব বোঝে।

ফলত, বিয়ে করে আপশোস করার চেয়ে পাত্র/পাত্রীর স্বাস্থ্য কেমন, সেটাও খতিয়ে দেখে। এক্ষেত্রে পাত্র/পাত্রীর বাড়ির লোকেরও তৎপরতা প্রয়োজন। বিয়ের আগে কী’ কী’ মেডিক্যাল টেস্ট করানো উচিত জেনে নেওয়া যাক –

যৌ’নসংক্রমণ আছে কি না: অর্থাৎ সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিজ়িজ় (STD) । এখনকার ছে’লেমে’য়েরা সেক্সের ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে। বিয়ের আগেই অনেক রকম অ’ভিজ্ঞতা হয় তাদের। শুধু তাই নয়। অধিকাংশেরই একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে লিপ্ত হওয়ার অ’ভিজ্ঞতা আছে।

ফলে কার শরীরে কোনও সংক্রমণ আছে, কেউ তা যাচাই করে দেখে না। এদিকে যথাযথ সময় বিয়েটাও করে নেয়। ফলত পাত্র/পাত্রী HIV, গনোরিয়া, সিফিলিসের মতো যৌ’নরোগে আ’ক্রান্ত কি না বলা কঠিন। তাছাড়া, কেউ এই নিয়ে মুখ খোলে না। একমাত্র মেডিক্যাল টেস্ট করালেই গো’পন সংক্রমণ ধ’রা পড়তে পারে।

শুক্রাণু পরীক্ষা: বিয়ের পর সব দম্পতিই সন্তান নিতে চান। কিন্তু অনেকসময় সন্তান ধারণে অ’সুবিধার সম্মুখীন হতে হয় স্বামী-স্ত্রী’কে। এর কারণ হতে পারে স্বামী-স্ত্রী’ দু-জনেই। স্ত্রী’র শরীর অনেকসময় সন্তান ধারণের উপযু’ক্ত পরিস্থিতিতে থাকে না বলে সন্তান আসে না। কিন্তু সেটা আগে থেকে জানা যায় না। তবে পুরুষের অক্ষমতা কিন্তু মালুম হয় শুক্রাণু পরীক্ষা করালেই।

ব্লাড গ্রুপ: পাত্র/পাত্রীর ব্লাড গ্রুপ জানাও খুব জরুরি। কারণ নেগেটিভ ও পজ়িটিভ ব্লাড গ্রুপের নারীপুরুষের বিয়ে হলে পরবর্তীকালে সন্তান ধারণে ঘটতে পারে বিপত্তি। তবে এই শ’ঙ্কাটি দেখা দেয় দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে। অনেকসময় গর্ভেই সন্তান মা’রা যায়। কিংবা জন্মের পর তার মা’রাত্মকরকম জন্ডিস হয়। মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদিও আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় এটি রোধ করার পদ্ধতি আছে। সন্তান জন্মানোর সময় মায়ের শরীরে অ্যান্টিবডি ইঞ্জেকশন দিলে ক্ষতির সম্ভাবনা কমতে পারে।

মানসিকরোগ পরীক্ষা: সাধারণ মেডিক্যাল পরীক্ষায় সাইকোলজিক্যাল সমস্যা ধ’রা পড়ে না। কিন্তু সত্যি বলতে কী’, কোনও ব্যক্তিকে বিয়ে করার আগে সে স্বাভাবিক কি না জানা খুব দরকার। অর্থাৎ, দেখা দরকার তার কোনও মানসিক সমস্যা আছে কি না।

এটি খতিয়ে দেখার জন্য পাত্র/পাত্রীর আচার ব্যবহার লক্ষ্য করতে হবে। পাড়া-প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব ও অফিসের লোকজনের থেকে খোঁজখবর নিতে হবে। বিয়ের সময় পাত্র/পাত্রীর বাড়ির লোক তাঁদের ছে’লেমে’য়ে স’ম্পর্কে কোনও খা’রাপ কথা বলে না। কিন্তু বিয়ের পর ধ’রা পড়ে আসল রূপ। সুতরাং, পাত্র/পাত্রীর মানসিক সমস্যা আছে কি না সেটা দেখা খুব জরুরি।প্রয়োজনে সাইকোলজিস্টের সঙ্গে কথাও বলতে পারেন।



পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত


DMCA.com Protection Status
সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, বাড়ি ৭/১, রোড ১, পল্লবী, মিরপুর ১২, ঢাকা- ১২১৬
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
Developed & Maintainance by i2soft