নতুন সময় প্রতিবেদক
Published : Wednesday, 2 January, 2019 at 12:18 PM, Count : 55

পেশি খিঁচুনি থেকে রেহাই পাবেন যে ৫ খাবারেপেশি খিঁচুনি প্রতিরোধে পটাসিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান। এটি পেশি ও স্নায়ুর মধ্যে যোগাযোগ রক্ষায় সাহায্য করে।

খিঁচুনি প্রতিরোধের সাহায্য করতে পারে প্রোটিনও। পেশির খিঁচুনি যে কতখানি বেদনাদায়ক হতে পারে, তা ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন।

কয়েক সেকেন্ড থেকে শুরু করে প্রায় এক ঘণ্টাও থাকতে পারে এ ব্যথা। বিশ্রাম নেয়ার সময়, রাতে ঘুমের সময়ও হঠাৎ মাসল ক্র্যাম্প বা পেশি খিঁচুনি হতে পারে।
নিচের খাবারের দিকে নজর রাখুন যা পেশির খিঁচুনি প্রশমিত করতে সহায়তা করে- পানি: শরীরে পানির অভাব হলে পেশিতে খিঁচুনি হতে পারে। সারা দিন সময় করে পানি পান করুন। এমনকি নারিকেলের পানি ও

লেবুর রসও আপনার শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখে। কলা: কলা পটাসিয়ামের চমৎকার উৎস। পটাসিয়াম আপনার শরীরকে কার্বন ভাঙতে এবং পেশি তৈরি করতে সহায়তা করে। পটাসিয়াম পেশি ও স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মিষ্টি আলু: কলার মতো মিষ্টি আলুও পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ। এমনকি কলার চেয়েও ছয় গুণ বেশি ক্যালসিয়াম আছে এতে। সাধারণ আলু ও কুমড়াও

খেতে পারেন একই উপকার পেতে। এ আলু প্রচুর পরিমাণে পানি সরবরাহ করে যা আপনাকে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে। শিম: মটরশুঁটি ও শিমে প্রোটিন এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে প্রচুর। কালো রিন ফাইবার সমৃদ্ধ। উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আমাদের মাসিকের সময়ের খিঁচুনি থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে এবং আপনার রক্তের চিনি ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। বাদাম: প্রোটিন ও

ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ বাদাম পেশি খিঁচুনি সারাতে সাহায্য করে। যদিও বাদাম সম্পূর্ণ প্রোটিন নয়; কারণ এতে কিছু অপরিহার্য অ্যামিনো অ্যাসিডের অভাব রয়েছে। দুর্বল অনুভব করা, পেশির খিঁচুনি সাধারণত ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে হয়। মটরশুটি ও ডাল, বাদাম ও বীজ, গোটা শস্য, কলা ও গাঢ়, পাতাযুক্ত সবুজ শাকসবজি খাওয়ার মাধ্যমে আপনার শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বাড়ান।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, বাড়ি ৭/১, রোড ১, পল্লবী, মিরপুর ১২, ঢাকা- ১২১৬
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: newsnotunsomoy@gmail.com
Developed & Maintainance by i2soft